Press "Enter" to skip to content

হিন্দু বাবা সেজে থাকা মোহম্মদ আসিফ খান গ্রেপ্তার হওয়ার পর হিন্দুদের সম্পর্কে যা বললো, শুনলে আপনিও রেগে লাল হবেন।

দিল্লিতে ধর্মশালা খুলে হিন্দুদের বোকা বানিয়ে মহিলা ও যুবতী মেয়েদের ধর্ষণ করতো আসিফ খান। আসিফ খান সবার কাছে নিজেকে তথা হিন্দুগুরু বলে পরিচয় দিত।মোহম্মদ আসিফ খান নামক ব্যাক্তি ২০ বছর ধরে হিন্দু ধর্মগুরু সেজে হিন্দুদের মূর্খ বানিয়েছে এবং হিন্দু সাধু সমাজের নামে দুর্নাম ছড়িয়েছে। কিছুদিন ধরে পলাতক থাকার পর এবার দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে মোহম্মদ আসিফ খান। এখন গ্রেপ্তার হওয়ার পর আসিফ খান এমন মন্তব্য করেছে যা সকলকে অবাক করবে। মোহম্মদ আসিফ খান কেন সেজে থাকত তার কারণ সে নিজের মুখেই জানিয়েছে। মোহম্মদ আসিফ খান জানিয়েছে, সে অসমের গুহাটিতে কুন্ডলি দেখানোর কলা শিখে এসেছিল। আসিফ খান জানায়, যদি সে ফকির বা ধর্মগুরু হতো তাহলে বেশি টাকা উপার্জন করতে পারতো না।

এই জন্য সে কুন্ডলি দেখানোর কলা শেখার পর হিন্দু বাবার সাজে থাকার সিধান্ত নেয়। মোহমদ আসিফ খানের দাবি, যেহেতু হিন্দুদের মূর্খ বা বোকা বানানো সহজ তাই সে এই সিধান্ত নিয়েছিল। আসিফ খান বলে, প্রথম সময়ের দিকে আমি চিন্তা করছিলাম যে কিভাবে হিন্দু বাবা হব কারণ নাম, পোশাক সমস্থ কিছুই বদলাতে হবে। কিন্তু অমি ধীরে ধীরে কুন্ডলি দেখার কাজ শুরু করি এবং নিজের নাম আশু ভাই গুরুজি রেখে দি।

ক্রাইম ব্রাঞ্চের জিজ্ঞাসাবাদে আসিফ খান জানায় যে হিন্দু বাবা হওয়ার পর প্রথম দিকে একটু পরিশ্রম করতে হয়েছিল কিন্তু পরে হিন্দুরা নিজেরাই টাকা নিয়ে আমার আশ্রমে হাজির হতো। এরপর আমি প্রচার শুরু করে দি এবং আশু ভাই গুরুজি নামে স্থাপিত হয়ে যায়। আসিফ খান বলে, হিন্দুদেরকে আঙুলের উপর নাচানো কোন ব্যাপার নয় আর এটা অনেকেই করে।

আমি এমন হিন্দু দেখেছি যারা দরগা, মসজিদে যায় তাই আমি প্রথম থেকেই জানতাম যে হিন্দুদের বোকা, মূর্খ বানানো কোনো ব্যাপার নয়। কারণ হিন্দুরা সমস্যায় পড়লে ধর্ম দেখে না। এইজন্য আমি মুসলিম ধর্মগুরু হওয়ার জায়গায় হিন্দু ধর্মগুরু হয়েছিলাম। এমনটাই বক্তব্য আসিফ খানের। জানিয়ে দি, মোহমদ আসিফ খান ২০বছর ধরে হিন্দুদের বোকা বানিয়ে টাকা উপার্জন করতো এবং হিন্দু মহিলা ও মেয়েদের ধর্ষন করতো। কিছুদিন আগে এক মহিলা ভয় না পেয়ে সমস্থকিছু সবার সামনে ফাঁস করে দেয়। যারপর থেকে পলাতক ছিল এই মোহম্মদ আসিফ খান।