Press "Enter" to skip to content

“যারা পাকিস্থানের সাথে শান্তিবার্তা করার কথা বলছে তাদেরকে আগে রাস্তায় দৌড়িয়ে মারা উচিত”: কঙ্গনা রানাওয়াত

পুলাবাম হামলা ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪ টের একটু আগে ঘটিত হয়েছিল। ঘটনার পর পুরো দেশ একসুরে বদলার দাবি তুলেছে অন্যদিকে বামপন্থী, বুদ্ধিজীবী ও কট্টরপন্থীরা পাকিস্থানকে নির্দোষ প্রমান করার জন্য লেগে পড়েছে। যে সমস্ত মানুষ বদলার দাবি তুলেছে তাদেরকে মানসিক রোগী বলে কটাক্ষ করে দিয়েছে এই বুদ্ধিজীবী বর্গ। গতকাল সন্ধ্যের পর থেকে কংগ্রেসের নেতরাও বামপন্থী ও বুদ্ধিজীবীদের সাথে সুর মেলাতে শুরু করেছে। কংগ্রেস নেতা নবজোত সিং সিধু বলেছেন আতঙ্কবাদীদের কোনো দেশ হয় না, তাই এই হামলা নিয়ে পাকিস্থানকে গালি দেওয়া ঠিক নয়। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীও পাকিস্থানকে বাঁচানোর চেষ্টায় নেমে পড়েছেন। উনি বলেছেন বিনা কোনো তদন্ত করে পাকিস্থানকে দোষারোপ করা অনুচিত।

জানিয়ে দি, পুলবামা আতঙ্কবাদী হামলা পাকিস্থানের আতঙ্কবাদী সংগঠন জাইশ-মহম্মদ করিয়েছে এবং তারা এর দায় স্বীকারও করেছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও মমতা, কংগ্রেস, বামপন্থী মিলে পাকিস্থানকে নির্দোষ প্রমান করার চেষ্টায় নেমেছে।

ভারত সরকার ও সেনার হাত থেকে পাকিস্থানের ইসলামিক আতঙ্কবাদী সংগঠনগুলিকে বাঁচানোর জন্য সমস্থ বামপন্থী,সেকুলার এক হয়ে শান্তির দাবি তুলেছে এবং বদলা নেওয়া দাবিকে লঘু করার চেষ্টা করছে। এই সমস্ত দেশদ্রোহী ,সেকুলারদের উপর বড় মন্তব্য করেছেন

কঙ্গনা বলেছেন পুলবামা হামলার পর যারা শান্তির কথা বলছে তাদেরকে রাস্তায় দৌড়িয়ে দৌড়িয়ে মারা দরকার। শান্তিবাদী দেশদ্রোহীদের মুখে ঝামা ঘষে বড় মন্তব্য করেছে ভারতীয় সেনা। জানিয়ে দি, যে সমস্ত পরিবার নিজেদের স্বজনকে হারিয়েছে তারা বদলার জন্য দাবি তুলেছে। আর এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে দেশের মানুষ সেই পরিবারের আবেগকে সমর্থন জানিয়ে  বদলার দাবি আরো জোরদার করেছে।

7 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.