প্রধানমন্ত্রী মোদীর থেকে এটাই চান স্ত্রী যশোদাবেন! মিডিয়ার সামনে জানালেন মোদীজির স্ত্রী।

ভারতবর্ষের রাজনীতিতে এই মুহূর্তে সবচেয়ে প্রভাবশালী নেতা হলেন আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদী। উনি শুধু দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এখন বিশ্বের বড়ো বড়ো নেতাদের মধ্যেও উনার নাম প্রথম দিকেই আসে। সেই সাথে উনি হলে তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক বুদ্ধিসম্পন্ন একজন নেতা। আপনাদের জানিয়ে রাখি দেশের এমন অনেক নেতা ছিল যারা দেশের জন্য নিজের পরিবার, স্ত্রী, সন্তানদের ভবিষ্যত না ভেবে ভারত মায়ের জন্য নিজেদের সমর্পিত করেছিলেন। বর্তমানে আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীর নাম সেই তালিকাভুক্ত হয়ে গিয়েছে। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী হলেন এমন এক ব্যাক্তিত্ব যিনি শুধুমাত্র দেশের সেবা করবেন বলে নিজের পরিবারিক জীবন ত্যাগ করেছেন। নিজের সুখ শান্তির চেয়ে উনার কাছে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ দেশের জনগনের ভালো থাকা। আপনাদের জানিয়ে দি, মোদীজির স্ত্রীর নাম হল জশোদা বেন।

মোদীজির স্ত্রী একটি সাংবাদিক সম্মেলনে জানান যে উনি গত ৫০ বছর ধরে উনি আলাদা থাকেন মোদীজির থেকে। কিন্তু সেই সাথে উনি এটাও জানিয়েছেন যে, উনি খুব খুশি হন যখন কেউ উনাকে প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী বলে ডাকেন। আপনারা যদি না জেনে থাকেন তাহলে আজকে জেনে নিন প্রধানমন্ত্রীর ব্যাপারে এক সুন্দর সত্যি। আজ আমরা Bengal.Indiarag.com আপনাদের জানাবো আসল সত্য। ১৯৬৮ সালে জশোদা বেন এর সাথে আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী মোদীজির বিবাহ দেয় মোদীজির পরিবার।

খুব কম বয়সে বিয়ে হওয়ায় যশোদাবেন নিজের বাপের বাড়িতেই থাকতেন। এরপর যখন মোদীজিকে সাংসারিক জীবনে প্রবেশ করার জন্য চাপ দেওয়া হয় তখন তিনি বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে আসেন। কারণ তিনি দেশের জন্য নিজেকে সমর্পিত করার প্রতিজ্ঞা আগেই করে নিয়েছিলেন। আপনারা এটা জানার পর সত্যি অবাক হয়ে যাবেন যে, জশোদা দেবীর নাম তখন সবার মুখে মুখে আলোচনা হয় যখন মোদীজি প্রথমবারে জন্য ভারতীয় জনতা পার্টির হয়ে নির্বাচনে লড়াই করেন সেই সময় উনি স্ত্রীর নামের জায়গায় জশোদা দেবীর নাম লিখেন।

জশোদা দেবী রাজশাহনায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেটি অবস্থিত বানাস কানহা জেলায় সেইখানের শিক্ষক ছিলেন তিনি। উনি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, আগের তুলনায় এখন তার জীবনে অনেক পরিবর্তন এসেছে। এখন চারজন পুলিশকর্মচারী সবসময় জশোদা দেবীর সাথে থাকেন। এই সময় জশোদা দেবীর ইচ্ছা যে, উনি এখন মোদীজির সাথে একসাথে দিন কয়েক থাকতে চান। কিন্তু দেশের কংগ্রেসপন্থী মিডিয়া এই ব্যাপারটি অত্যন্ত বাজে ভাবে দেখাবে তাই এটা সম্ভব হচ্ছে না।

সেই সাথে তিনি এটাও বলেন যে, এই ব্যাপারে প্রথম উদ্যোগ আমাদেরকেই নিতে হবে। উনি এটাও বলেন যে আমি উনার সাথে যেতে রাজি যদি উনি অনুমিত দেন। উনি এটাও বলেন যে, নির্বাচনের আগে মোদীজি যখন স্ত্রীর নামের জায়গায় তার নাম লিখেন তখন খুশিতে তার দুচোখ বেয়ে জল চলে আসে। কিন্তু মোদীজি দেশের কাজের জন্য, দেশের মানুষের স্বার্থে কোনোদিন তাকে কাছে ডাকেন নি। তাই এবার তিনি তিনি চান যে কিছু দিনের জন্য হলেও উনি মোদীজির সাথে একসাথে থাকতে চান।
#অগ্নিপুত্র

you're currently offline

Open

Close