Press "Enter" to skip to content

“নরেন্দ্র মোদী একটা নিমক হারাম’ – জিগনেশ মেবানি, রাহুল গান্ধীর প্রিয় বন্ধু।

ও তার সমর্থনকারী দলগুলি নিজেদের আদর্শ পার্টি বলে দাবি করে। কিন্তু ও তাদের সহযোগী দলগুলির কোন আদর্শ নিয়ে চলে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে। আসলে ২০১৯ লোকসভা নির্বাচন সামনে এসে গেছে। বিরোধীরা বুঝতে পেরে গেছে মোদীকে প্ৰধানমন্ত্রী হওয়া থেকে আটকানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়। মিডিয়া ও বিরোধীরা একজুট হয়ে মিলে বিজেপির বিরুদ্ধে দিনরাত অপপ্রচার করেও মানুষের মনকে পাল্টে ফেলা যাচ্ছে না। কারণ দেশের জনগণও তখন মিডিয়ার আসল চরিত্র সম্পর্কে অবগত হয়ে গেছে। এইমত অবস্থায় ও তার সহযোগী দলগুলি অসহনশীল হয়ে পড়েছে। এখন নিজেরদের ক্রোধ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না নিজেদের আদর্শ দল বলে দাবি করা এই পার্টির নেতারা। দেশের প্রধান মন্ত্রীকে পর্যন্ত গালাগালি করতে শুরু করেছে বিরোধীরা।

দুদিন আগেই কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিং এর ঘনিষ্ঠ ব্যাক্তি অভিষেক মিশ্র দাবি করেছিল তাকে CBI এর প্রধান করে দিলে সে নাকি মোদীকে জেলে ঢুকিয়ে দেবে। এখন আর একজন কংগ্রেস ও বামপন্থী ঘনিষ্ঠ নেতা দেশের প্ৰধানমন্ত্রীকে গালি দিয়ে অপমান করেছেন। নিজেকে দলিতদের নেতা বলে দাবি করা জিগনেন্স মেবানি(রাহুল গান্ধীর প্রিয় বন্ধু) ভারতের ১৩০ কোটি মানুষ দ্বারা নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে খোলাখুলি “নিমক হারাম” বলে গালি দিয়েছেন। পাটনাতে কম্যুনিস্ট পার্টির এক রালিতে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে খোলাখুলি গালি দিয়েছে

জিগনেশ তার ৯ মিনিটের ভাষণে প্রধানমন্ত্রীকে ৬ বার নিমক হারাম বলে গালাগালি করেছে। নিমক হারাম শব্দ ব্যবহার করে জিগনেশ মেবানি প্রধানমন্ত্রী মোদীকে উদ্দেশ্য করে এমন এমন মন্তব্য করেছেন যা লিখলে ভাষার মর্যাদা বলে কিছু থাকবে না। তবে এটা এই প্রথম নয়, এর আগেও কংগ্রেস নেতারা দেশের প্রধানমন্ত্রীকে অশিক্ষিত,দালাল এই রকম নানা আপত্তিজনক শব্দ ব্যবহার করে অপমান করেছে। এমনকি কংগ্রেসের নেতারা প্রধানমন্ত্রী মোদীর ” মা” তুলেও গালাগালি করেছে। যদিও এই সমস্থকিছুর সভ্য ভাবে জবাব দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী । জানলে অবাক হবেন যখন বিরোধী দলে ছিলেন এবং মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখন তিনি কখনোই প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে খারাপ শব্দ প্রয়োগ করেনি।

শুধু এই নয় ২০১৩ সালেন পাকিস্থান মনমোহন সিংকে নিয়ে মজা উড়িয়ে ছিল। তখন নরেন্দ্র মোদী বিরোধী দলে থেকেও পাকিস্থানের তীব্র নিন্দা করেছিলেন এবং বলেছিলেন আমরা প্রধানমন্ত্রীর নীতি নিয়ে বিরোধিতা করতে পারি, কিন্তু কেউ যদি দেশের প্রধানমন্ত্রীকে অপশব্দ বলে তা কোনোভাবেই সহ্য করা যাবে না। তবে আজ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ উল্টো, আজ মোদী প্রধানমন্ত্রী পদে আছেন এবং বিরোধিরা বিরোধিতার নীতি থেকে বেরিয়ে এসে ১৩০ কোটি মানুষের দ্বারা নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে অসভ্য ভাষায় গালি দিতে শুরু করেছে।