Press "Enter" to skip to content

‘খুঁজে খুঁজে জঙ্গি মারা হচ্ছে’- এর উপর বামপন্থী নেত্রী যা বললেন শুনলে আপনিও রেগে লাল হবেন।

বর্তমানে অর্থনীতি ও সামরিক শক্তিতে অনেক এগিয়ে গেলেও, এখনো কিছু বিষয়ে বিশ্বের ছোট ছোট দেশের থেকে পিছিয়ে রয়েছে একথা স্বীকার করতেই হবে। উদাহরণ হিসেবে কিছুদিন আগেই মায়ানমার এক আন্তর্জাতিক নিউজ এজেন্সির দুই সাংবাদিককে ৭ বছরের জন্য জেলে ঢুকিয়ে দিয়েছে। কারণ এই দুই সাংবাদিক মায়ানমার সেনার উপর অত্যাচারের অভিযোগ তুলেছিল। এই জন্যে মায়ানমারের সরকার ও বিরোধীরা একত্রে এই কাজে সমর্থন জুগিয়ে জানিয়েছে, ৭ বছর জেল খুব কম হয়ে গেল। অন্যদিকে ে অপেরাশন চালানোর পর এক জঙ্গিকে দড়ি দিয়ে টেনে নিয়ে গেছিলো। কারণ এই যে ওই জঙ্গির দেহে কোনো বিস্ফোরক পদার্থ আছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল। যার জন্য জঙ্গির শবদেহ উঠিয়ে না নিয়ে গিয়ে, দড়ি দিয়ে টেনে নিয়ে গেছিলো।

যার পর শুরু হয়ে যায় বিতর্ক, ভারতে থাকা পাকিস্থানি প্রেমী, কিছু বামপন্থী নেতা নেত্রী ও দালাল সেনার উপর প্রশ্ন তুলতে শুরু করে। দিল্লিতে বসবাসকারী বামপন্থী নেত্রী দাবি করে সেনা কাশ্মীরীদের উপর অত্যাচার করছে। বলেন, ভারতীয় সেনা খুবই নৃশংস, নিরীহ প্রকৃতির যার জন্য তারা কাশ্মীরিদের উপর অত্যাচার করছে। যদিও আসলে সেনা যে জনকে দড়ি বেঁধে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল সে একজন পাকিস্থানি

কবিতা কৃষ্ণান এই জঙ্গিকে নির্দোষ বলে বার্তা দেয় এবং ভারতীয় সেনাকে অট্টাচারী বর্বর বলে দাবি করে। কবিতা কৃষ্ণান বলে, ভারতীয় সেনা মানবাধিকারের হনন করেছে। প্রসঙ্গত জানিয়ে দি মানবঅধিকার সংগঠন আরো একবার জঙ্গিদের বাঁচানোর জন্য নেমে পড়েছে। মানবঅধিকার সংগঠন আরো একবার প্রমান করে দিয়েছে যে তারা সাধারণ মানবের অধিকারের জন্য মুখ না খুললেও জঙ্গি, আতঙ্কবাদীদের অধিকারের জন্য অবশ্যই মুখ খুলবে।

মায়ানমার ছোট দেশ হলেও এই দিক থেকে তারা ভাততের থেকে এগিয়ে কারণ ওই দেশে দেশদ্রোহী শক্তি এতটা সক্রিয় হতে পারেনি। যার জন্য মায়ানমারে দেশদ্রোহীদের উপর বেশ ভলোরকম কার্যবাহী চালানো হয়। অন্যদিকে আমাদের দেশে কবিতা কৃষ্ণানের মতো নেত্রীরা বুদ্ধিজীবী ও সামাজিক কার্যকর্তা নামে পরিচয়। প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, মানবাধিকার কার্যকর্তা বা বামপন্থী নেতা নেত্রীদের কথায় কর্ণপাত না করেই অপারেশন চালাচ্ছে সেনা জওয়ানরা। জানলে খুশি হবেন কাল অবধি সেনা ৮ জন জঙ্গিকে মেরে ফেলেছিল এবং আজ আরো ৫ জঙ্গিকে মেরে ফেলা হয়েছে। অর্থাৎ সর্বমোট ১৩ জন জঙ্গিকে ৩ দিনেই শেষ করে দেওয়া হয়েছে। মোদী সরকার কাশ্মীরে যে অপেরাশন অল আউট এর ডাক দিয়েছিল তার সাফল্য এবার হাতে নাতে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে।