Press "Enter" to skip to content

উপ নির্বাচনে ভোট টানতে করিমপুরের প্রার্থীকে ভুয়ো ‘ভারত রত্ন” পদক প্রাপ্ত ঘোষণা তৃণমূলের!

নদীয়াঃ উপ নির্বাচনে করিমপুরে ের প্রার্থী বাছাই নিয়ে নানা রকম জল্পনা চলছিল দলীয় কর্মী সমর্থকদের মধ্যে। প্রথমে টলিউডের কোন অভিনেতাকে প্রার্থী করা হবে বলে শোনা যাচ্ছিল। শেষে রাষ্ট্রপতি পুরষ্কারপ্রাপ্ত শিক্ষক তথা ভূমিপুত্র বিমলেন্দু সিংহরায়কে প্রার্থী করে কার্যত চমকই দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী বন্দ্যোপাধ্যায়। বিমলেন্দু সিংহরায় এর নাম তৃণমূলের কোর কমিটির কাছে ছিলনা। তাই মমতা ব্যানার্জীর এই সিদ্ধান্তে প্রায় চমকে গেছিলেন দলের সবাই।

বিমলেন্দু সিংহরায়কে প্রার্থী করার পিছনে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মিত্রর বড় হাত রয়েছে, সেটা কার্যত স্বীকার করেছেন স্বয়ং প্রার্থী বিমলেন্দু সিংহরায়। উনি বলেন, ‘এত বছর ধরে দলটা করছি। এই প্রথম সে ভাবে স্বীকৃতি পেলাম। এর জন্য মহুয়া মৈত্রর কাছে কৃতজ্ঞ থাকব।” নদীয়া জেলার তৃণমূলের পর্যবেক্ষক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘উনি শিক্ষিত মানুষ। দীর্ঘ দিনের নেতা। নেত্রী তাঁকে যোগ্য সম্মান দিয়েছেন।”

 

করিমপুর উপ নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী বিমলেন্দু সিংহরায় ভূমিপুত্র হিসেবেই পরিচিত। তিনি জানান, ‘দিদিকে বলো নাম্বারে ফোন করে নিজের যোগ্যতার কথা তিনি নিজেই জানিয়েছিলেন। এরপর তৃণমূলের স্ট্যাটের্জিক প্রশান্ত কিশোরের অফিস থেকে ফোন করে তাঁর কাছে থেকে আও তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এরপরি দিদির সুপারিশে প্রার্থী হন বিমলেন্দু সিংহরায়।

এত পর্যন্ত ঠিক ছিল, কিন্তু এবার ভোট টানতে তৃণমূলের প্রার্থী বিমলেন্দু সিংহরায়কে নিয়ে ভুয়ো তথ্য ছড়াতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল তৃণমূল নেতৃত্ব। দেওয়াল লিখনে তৃণমূল প্রার্থী বিমলেন্দু সিংহরায়কে পদক প্রাপ্ত বলে ঘোষণা করেছে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর শোরগোল পড়ে গেছে। তৃণমূল প্রার্থী বিমলেন্দু সিংহরায় বিশিষ্ট সন্মান পেয়ছেন ঠিকই, কিন্তু উনি রত্ন পাননি। কিন্তু তৃণমূল থেকে দাবি করা হয়েছে যে, উনি ভারত রত্ন পদক প্রাপ্ত! এই ব্যাপারে জেলা তৃণমূলের সাথে যোগাযোগ করলে তাঁরা জানায়, এটা হয়ত কোন ভুল বশত হয়ে গেছে। নিজের দলের প্রার্থীকে নিয়ে এরকম কোন ভুয়ো খবর ছড়াতে তাঁরা চায়না। আর এই ঘটনার তদন্ত করে তাঁরা এরকম দেওয়াল লিখন আরও থাকলে সব মুছে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে।