Press "Enter" to skip to content

গান্ধী/নেহেরু পরিবারের বিনাশ হবে, ঋষি কারপার্থী মহারাজের এমন অভিশাপেই জর্জরিত কংগ্রেস।

বতর্মান যুগে অভিশাপ এর মতো কথা উল্লেখ করলে তা হয়তো আপনার বিশ্বাস করবেন না। কিন্তু আজ আমরা আপনাদের জানাবো এক অভিশাপের কথা যা আজও কংগ্রেসের পেছন ছাড়েনি। হিন্দু শাস্ত্রে গো হত্যাকে ব্রহ্মহা হত্যা বলা হয়েছে। হিন্দু ধর্মে বরাবরই গো মাতা পূজনীয় হিসেবে থেকেছে এবং গো মাতাকে হিন্দু দেবদেবীর রূপ হিসেবে গণ্য করা হয়। গোপাষ্টমীর দিন ১৯৬৬ সালে ইন্দিরা গান্ধী এক অভিশাপ পেয়েছিলেন। বলা হয় তার প্রভাব এখনো কংগ্রেসের উপর রয়েছে। আসলে ১৯৬২ সালে ইন্দিরা গান্ধী সাধু সন্তদের প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি গো হত্যা দেশে নিষিদ্ধ করে দেবেন।

কিন্তু কংগ্রেসের সাথী কিছু দল ও কট্টরপন্থীদের চাপে ইন্দিরা গান্ধী গো হত্যা বন্ধ করার সিধান্ত নিতে পারেননি। আর সেই থেকেই ক্ষোপ প্রকাশ করে সাদু সন্তরা আন্দোলনে নামে গো হত্যা বন্ধ করার আইন তৈরির দাবিতে। স্বামী কারপার্থী মহারাজের নেতৃত্বে প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ ১৯৬৬ সালের ৭ নভেম্বর দিল্লিতে সাংসদ ঘিরে বিক্ষোপ প্রকাশ করতে শুরু করেছিলেন এবং গো রক্ষার আইন তৈরি করার দাবি করেছিলেন। কিন্তু ইন্দ্রিরা গান্ধী ক্ষমতার প্রভাবে এতটাই অন্ধ হয়েগেছিল যে উনি সাধু সন্তদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। স্বামী কারপার্থীর নেতৃত্বে চলা জৌলুসে আগে সামনে মাতা রেখে পরে সাধুরা দাঁড়িয়ে আইন তৈরির জন্য আন্দোলন করছিলেন।

শোনা যায় ওই গুলি কান্ডে বহু সাধু সন্ত মারা গেছিলেন এবং গো হত্যাও হয়েছিল গুলি দ্বারা। শোনা যায় সেই সময় স্বামী কারপার্থী মহারাজ তার সাথীদের রক্তাক্ত দেহি ভূমি থেকে তুলছিলেন এবং ইন্দিরা গান্ধীকে বলেছিলেন, ‘ তুই নির্দোষ সাধুদের হত্যা করিয়েছিস তার দুঃখ নেই কিন্তু তুই গো মাতার হত্যা করিয়েছিস যা ক্ষমার যোগ্য নয়, তাই আমি তোকে অভিশাপ দিলাম যে এই গোপা অষ্টমীর দিনেই তোর বংশের বিনাশ হবে।’

এই বক্তব্যগুলি তখন বিশেষ কোনো সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়নি কারণ তখন সমস্ত সংবাদ মাধ্যম ইন্দিরা গান্ধীর ভয়ে কাজ করতো। তবে দু একটা সংবাদ মাধ্যমে এই খবর প্রকাশিত হয়েছিল এবং আন্দোলনে উপস্থিত সকলে এই কথা জানিয়েছিলেন। আপনাদের জানিয়ে রাখি, গোপাঅষ্ঠমী একটা পবিত্র দিন যেদিন গোমাতার পুজো করা হয় । আর সেই দিনের ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে গো মাতা ও সাধুদের হত্যা করিয়েছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। যার জন্য কংগ্রেসে শেষ হয়ে যাওয়ার অভিশাপ দিয়েছিলেন রুদ্র ও সিদ্ধপুরুষ স্বামী কারপার্থী মহারাজ বলে শোনা যায়। সবথেকে উল্লেখ্য ব্যাপার এই যে মহারাজের সাপের সাথে গান্ধী পরিবারের বিনাশের ব্যাপার অনেকটাই মিলে যায়। আসলে ইন্দিরা গান্ধী হোক, রাজীব গান্ধী বা সঞ্জয় গান্ধী সকলেই গোপাঅষ্টমীতেই মারা গেছিলেন যেমনটা কারপার্থী মহারাজ অভিশাপ দিয়েছিলেন।