Press "Enter" to skip to content

সিবিআই ইস্যুতে মমতা ব্যানার্জী কে ঝটকা দিয়ে সঙ্গ ত্যাগ করলেন ওনারই বন্ধু

সিবিআই ইস্যু নিয়ে একদিকে যখন মমতা ব্যানার্জী সব বিজেপি বিরোধীদের এক করার চেষ্টা করছেন, তখন আরেকদিকে মমতা ব্যানার্জীকে ঝটকা দিয়ে এই ইস্যু থেকে দূরে থাকতে চাইছেন তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাও। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী বনাম সিবিআই আর কেন্দ্রের লড়াইয়ে, মমতা ব্যানার্জীর পাশে বিজেপি বিরোধী অন্য দল গুলো থাকলেও। চন্দ্রশেখর রাও এই মামলা থেকে নিজেকে দূরে রেখেছেন। আর এই নিয়ে কোন মন্তব্য ও করতে চাননা।

এর আগেই কেসিআর মমতা ব্যানার্জীকে ঝটকা দিয়ে ব্রিগেডে আয়োজিত বিজেপি বিরোধী সভায় উপস্থিত ছিলেন না। তাঁর কিছুদিন পরেও যখন রাহুল গান্ধী, চন্দ্রবাবু নাইডু, অখিলেশ যাদব, শরদ পাওয়ার, তেজস্বী যাদব আর মায়াবতীর মত নেতা নেত্রীরা মমতা ব্যানার্জীর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। তখনও কেসিআর সবার থেকে ভিন্ন হয়ে চুপ করে থাকা কেই শ্রেয় মনে করেছেন।

এর আগে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাও অবিজেপি জোট বানানোর জন্য বেশি উৎসুক ছিলেন। কিন্তু এরপরে অবেজেপি দল বিশেষ করে কংগ্রেসের সাথে বনিবনা চলার কারণে মমতা ব্যানার্জীর জনসভায় উপস্থিত ছিলেন না। কেসিআর এর দল তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতির নিজ রাজ্যে মুখ্য বিরোধী দল হল কংগ্রেস। আর কেসিআর গত বছরে কংগ্রেসের সসভাপতি রাহুল গান্ধীকে দেশের সবথেকে বড় জোকার বলেছিলেন।

এটাই প্রথম না, ব্রিগেডের জনসসভার আগে বাইরের রাজ্য থেকে আসা নেতারা মমতা ব্যানার্জীকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পছন্দ করলেও। ব্রিগেড সেরে বাড়ি ফেরার পরেই সবাই নিজের মত পাল্টে নিয়েছিলেন। সবথেকে অবাক করা কথা বলেছিলেন যশবন্ত সিনহা।

উনি ব্রিগেড সভার আগে মমতা ব্যানার্জীকে প্রধানমন্ত্রী রুপে দেখতে চাইলেও। ব্রিগেডের পর দিল্লীর একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ওখানে নিজেকেই যোগ্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তুলে ধরেছিলেন উনি। এছাড়াও ব্রিগেডের পর শত্রুঘ্ন সিনহাকেও মমতা ব্যানার্জী সমন্ধ্যে কিছু বলতে শোনা যায়নি। এমনকি এরা দুজনের কেউই সিবিআই ইস্যু নিয়ে এখনো মুখ খোলেনি।

9 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.