Press "Enter" to skip to content

২০১৯ নির্বাচন সামনে আসতেই বড় ঝটকা পেলো রোহিঙ্গাপ্রেমী কেজরিওয়াল।

২০১৯ এর নির্বাচন যত সামনে আসছে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে লড়াই ততই তীব্র হয়ে উঠছে। প্রধানমন্ত্রী পদে বসার জন্য এবং মোদীজিকে আসন থেকে সরানোর জন্য বিরোধীরা এক হতে শুরু করেছে। মমতা থেকে কেজরিওয়াল সকলকেই মোদীকে হারানোর জন্য নিজেদের সংগঠন শক্তিশালী করতে শুরু করেছে। কিন্তু এই দলগুলি শক্তিশালী হওয়ার উল্টে আরো দুর্বল হতে শুরু করে দিয়েছে।

কেজরিওয়াল এর সরকার মুসলিম ভোটব্যাঙ্কের লোভে দিল্লিতে যে রোহিঙ্গা মুসলিম ও অবৈধ বাংলাদেশী রয়েছে তাদের জন্য জল থেকে আলো সবকিছুই বিনামূল্যে করে দিয়েছে যেখানে দিল্লীবাসী জলের জন্য টাকা প্রদান করেও জল ও আলো পাচ্ছে না। শুধু এই নয় রোহিঙ্গা ও অবৈধ বাঙালদেশীদের বাসগুলিতে ফ্রিজ ও ac এর ব্যবস্থা করা হয়েছে যার কোনো টাকা কেজরিয়াল সরকার নেয় না। অন্যদিকে ওই একই সাথে উপযুক্ত কাগজপত্রের সাথে বাস করা হিন্দুশরণার্থীদের জলের ও আলোর পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছিল কেজরিওয়াল সরকার। আর যার পরিণামে কেজরিয়াল সরকারের উপর ক্ষোপ প্রকাশিত হচ্ছে হিন্দুদের। সম্প্রতি পাওয়া খবর অনুযায়ী পাঞ্জাব থেকে ১৬ নেতা আমআদমি পার্টি থেকে পদত্যাগ করেছেন। যাদের মধ্যে ৫ জেলাসভাপতি, ২ মহাসচিব ও ৬ ক্ষেত্রীয় ইনচার্জ রয়েছেন। চন্ডীগড় থেকে এই ১৬ জন নেতা কেজরিওয়াল এর কাছে ইস্তফা পাঠিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

২০১৯ এ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখা কেজরিওয়াল এর পার্টি থেকে পুরানো ১৬ জন নেতা চলে যাওয়া আমআদমি পার্টির মধ্যে হৈচৈ শুরু হয়েগিয়েছে কারণ এটা আপদের জন্য একটা বড়ো ঝটকা। আসলে কেজরিওয়াল যে শুধুমাত্র নিজের স্বার্থ দেখে দেশের ক্ষতি করছে তা সকলেই উপলদ্ধি করতে পেরেছে। আপনাদের জানিয়ে রাখি কেজরিয়াল এক নাবালক ধর্ষকের ধর্ম দেখে তাকে সেলাই মেশিন ও ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত প্রদান করেছিল এবং সংখ্যালঘু তোষণ করে ভোট লুটার নোংরা খেলা খেলেছিল।এমনকি রোহিঙ্গাদের ভারতীয় নাগরিকতা দেওয়ার জন্যেও কোর্টে দারস্ত হয়েছিল কেজরিওয়াল সরকারের এক নেতা।