Press "Enter" to skip to content

“অযোধ্যার জমি হিন্দুদের, মুসিলমরা এই জমি কবজা করে নিয়েছিল”: তারিক জামিল, ইসলামিক ধৰ্মগুরু।

শুধু নয়, দেশজুড়ে প্রায় ৪০ হাজার মন্দির ভেঙেছিল মুঘল আতঙ্কবাদীরা। সেই সমস্থ মন্দির ভেঙে সেখানে বানিয়ে দেওয়া হয়েছিল মসজিদ বা অন্য কোনো ইসলামিক স্থল বানিয়ে দিয়ে গেছে। অযোধ্যায় ের স্থানে ি মসজিদ বানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কাশীতে আসল বিশ্বনাথ মন্দিরকে ভেঙে মসজিদ বানিয়ে ছিল মুঘল আতঙ্কবাদীরা। মথুরাতে জন্মস্থান মন্দিরে আতঙ্কবাদী ঔরঙ্গজেব মসজিদ বানিয়েছিল যার নাম রাখা হয়েছিল মসজিদ-ই-জন্মস্থান। ভগবান কৃষ্ণের জন্মস্থানে থাকা মন্দিরকে ভেঙে মসজিদ তৈরী করেছিল মুঘল আতঙ্কবাদীরা। ১৯৯২ সালে বীররা বাবরি কলঙ্ককে মাত্র ১৭ মিনিটে মাটিতে মিলিয়ে দিয়েছিল। আর এখন কোর্টে এই মামলা চলছে যে জমি হিন্দুদের না সম্প্রদায়ের। বাইরে থেকে আসা মুঘল আতঙ্কবাদীরা হিন্দুদের রাম মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরি করেছিল তাই মুসলিমরা জমির দাবি করে।

অন্যদিকে দেশের সুপ্রিম কোর্ট বিচার করতে অক্ষম যে জমি কাদের। এই কারণে সুপ্রিম কোর্ট তারিখের পর তারিখ দিয়েই যাচ্ছে। দেশের সুপ্রিম কোর্ট ও তথাকথিত ধৰ্মনিরপেক্ষবাদীরা জমির বিবাদে হিন্দুদের আটকে রাখতে চাইলেও, কিছুজন আছে যারা সত্যকে স্বীকার করার ক্ষমতা রাখে। ইসলামিক ধর্মগুরু তারিখ জামিল এই সম্পর্কিত বড়ো মন্তব্য করে দিয়েছেন। তারিখ জামিল বলেছেন অযোধ্যার জমি হিন্দুদের। অযোধ্যার জমির হিন্দুদের এবং এই জমির উপর মুসলিমরা কবজা করেছিল, এমনটাই বলেছেন

পাকিস্থানে দেওয়া একটা মন্তব্যে উনি জানিয়েছেন অযোধ্যার জমি হিন্দুদের যা জোর করে কবজা করা হয়েছিল। তারিখ জামিলের মন্তব্যে দেশের কট্টরপন্থীরা বিরোধ করেছে। জানিয়ে দি, যখন থেকে আতঙ্কবাদী বাবর ও তার সাথীরা রামমন্দির ভেঙেছিল তখন থেকে হিন্দুবীররা পুনরায় মন্দির তৈরি করার জন্য নেমেছিল। এমনকি ইংরেজ আমলেও হিন্দুরা রামজন্মভূমি ফিরিয়ে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। তারিক জামিলের মতো ব্যক্তিরা পাকিস্থানে বসেও সত্য বলছেন।

এমনকি ভারতের ASI টিম জানিয়ে দিয়েছে যে মসজিদের নীচে মন্দির পাওয়া গেছে। এই ASI টিমে ছিলেন কে.কে. মহম্মদ। উনি নিজেও অযোধ্যায় রাম মন্দিরের পক্ষে মন্তব্য করেছিলেন। এর পরেও আদালত এই মামলার রায় দিতে আটকে যাচ্ছে এবং তারিখের পর তারিখ দিয়ে যাচ্ছে। কিছুজন আতঙ্কবাদী বাবরকে নিজের পুর্বপুরুষ দাবি করে জমির মুসলিমদের দেওয়ার দাবি তোলে। তবে হিন্দুরা এই জমি কোনোভাবেই আতঙ্কবাদী বাবরের নামে ছেড়ে দেবে না এটাও নিশ্চিত হয়ে গেছে।

11 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.