Press "Enter" to skip to content

কেরালার বন্যার নামে হিন্দু মন্দিরের বিপুল খাজানা ভান্ডার লুটে নেওয়ার চেষ্টায় বামপন্থীরা।

কিছুদিন আগেই দেশের সরকারের বদনাম করার জন্য UAE ৭০০ কোটি টাকা কেরালায় দান করবে বলে প্রচার করেছিল বামপন্থীরা। কেরালার বামপন্থী মুখ্যমন্ত্রীর এই প্রচারে সাথ দিয়েছিল , দালাল মিডিয়া, মিশনারি ও কট্টরপন্থীরা। মিথ্যা প্রচারের জন্য বামপন্থী ও কট্টরপন্থীরা মিলে কেরালা রাজ্যের প্রত্যেক শহরে UAE কে ধন্যবাদ জানিয়ে পোষ্টারও লাগিয়েছিল। আসলে বামপন্থীদের উদ্যেশ ছিল যেনতেন প্রকারে দেশের সরকারের বদনাম করা। বামপন্থীরা দাবি করেছিল মোদী সরকারের থেকে UAE কেরালা বেশি টাকা প্রদান করছে। যদিও পরে UAE সাফ জন্যে দেয় যে এইরকম কোনো ঘোষণা তারা দাবি করেনি। তবে এই বন্যা নিয়ে রাজনীতি ও নিজেদের এজেন্ডা এখনো চালিয়ে যাচ্ছে তারা। ৭০০ কোটি টাকার মিথ্যা প্রচারে সফল না হওয়ায় এবার বামপন্থীদের নজর পড়েছে ের খাজনার দিকে।

কেরালার বামপন্থী ও দেশের অন্যান্য বামপন্থীরা মিলে এবার এক সুরে দাবি তুলেছে যে ভগবান বিষ্ণুর পবিত্র মন্দির পদ্মানাবস্বামী এর খাজনা নিয়ে কেরালার ক্ষতিপূরণ করা হোক। বামপন্থীরা দাবি তুলেছে যে বন্যা ভগবান দিয়েছেন তাই ভগবানের খাজনা ও সম্পত্তি থেকে এটার ক্ষতিপূরণ করা হোক। এখন সমস্থ বামপন্থী,মিশনারির সাথে জড়িত লোক, জিহাদি ও হিন্দুবিরোধী মিডিয়ার কুনজর পড়েছে হিন্দু মন্দিরের বিশাল খাজনা ভান্ডারের উপর। সকলে এক সুরে দাবি তুলেছে পদমভস্বামী মন্দিরের বিশাল খাজনা কোষাগার থেকে খাজনা নিয়ে কেরালার পূর্ননির্মাণ করতে।

এদের আসল উদেশ্য হিন্দু মন্দিরের পুরো খাজনা না হলেও ১০% নিতে পারলেও কয়েক হাজার কোটি টাকার আয় হবে যা দিয়ে নির্বাচনে লড়াই করাও যাবে। জিহাদি ও মিশনারিরায় হিন্দুদের পবিত্র মন্দির লুটে নিজেদের অসামাজিক গতিবিধির সেই অর্থ কাজে লাগাতে চাইছে। লক্ষণীয় বিষয়, কোনো বামপন্থী এখন বলছে না যে চার্চের জমি বিক্রি করে ক্ষতিপূরণ করা হোক অথবা ওয়াক বোর্ডের জমি বিক্রি করে কেরালার বন্যার খতিপূরণ করা হোক।

জানিয়ে দি দেশের মধ্যে সবথেকে বেশি ধর্মানতরণের কাজ ও হিন্দুদের উপর অত্যাচার কেরালায় হয়ে থাকে কারণ স্বাধীনতার পর থেকেই এই রাজ্য এর ক্ষমতা কখনো বামপন্থী ও কখনো কংগ্রেসের হাতে ছিল। বামপন্থী ও কংগ্রেস মিলে কেরালার মানুষের মনে একদিকে যেমন উত্তর ভারতের লোকের প্রতি ঘৃণা তৈরি করে দিয়েছে, তেমনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আসল ইতিহাসকে লুকিয়ে কেরালার মানুষকে তথাকথিত সেকুলারে পরিণত করেছে। আর এই সকলের আড়ালে চলছে উত্তরভারত দক্ষিণ ভারত দ্বন্দ লাগিয়ে দেশ ভাগের চেষ্টা, অবাধে হিন্দুদের ধর্মপরিবর্তন ও হিন্দু শুন্য করার ষড়যন্ত্র।