Press "Enter" to skip to content

লকডাউনের জন্য অর্থনীতির ক্ষতি! কিন্তু তার থেকেও দামি হল ভারতীয়দের প্রাণঃ প্রধানমন্ত্রী মোদী

নয়া দিল্লীঃ করোনাভাইরাসের মহাসঙ্কটের কারণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra ) দেশে লকডাউনের (Lockdown) সময়সীমা আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এবার দেশে আগামী ৩রা মে পর্যন্ত লকডাউন থাকবে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, সবাইকে এই লকডাউনের পালন করতে হবে আর অনুশাসনের মধ্যে থাকতে হবে। এর সাথে সাথে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, আর্থিক দিক থেকে অনেক চ্যালেঞ্জ আসবে, কিন্তু দেশবাসীর প্রাণ আমার কাছে তাঁর থেকে বেশি দামি। আপনাদের জানিয়ে দিই, লকডাউনের কারণে দেশের ব্যবসা সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ হয়ে আছে, আর এর প্রভাব সবথেকে বেশি মজদুরদের উপর পড়ছে।

তবে তিনি এই দ্বিতীয় দফার লকডাউনে ২০ এপ্রিলের পর কিছু এলাকায় ছাড় দেওয়া হবে বলেও জানান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘আমার সমস্ত দেশবাসীর কাছে হল, এই মাহামারিকে আমরা কোনমতেই নতুন এলাকায় ছড়িয়ে যেতে দেবনা। স্থানীয় স্তরে যদি এখন একজন রোগীর সংখ্যাও বাড়ে, তাহলে সেটা আমদের জন্য চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়াবে।”

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘এর জন্য আমাদের হটস্পট এলাকা গুলো নিয়ে আরও সতর্ক থাকতে হবে। যেই স্থান গুলো হটস্পটে বদলে যাওয়ার আশঙ্কা আছে, সেগুলোতেও কড়া নজর রাখতে হবে। নতুন করে হটস্পট তৈরি হলে আমাদের পরিশ্রম আমাদের তপস্যা সমস্যার সন্মুখিন হবে।”

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, আগামী এক সপ্তাহ করোনার বিরুদ্ধে লড়াই আরও কঠোর হয়ে উঠবে। ২০ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিটি গ্রাম, প্রতিটি থানা, প্রতিটি জেলা, প্রতিটি রাজ্যে কেমনভাবে লকডাউন পালিত হল আর সেই এলাকায় করোনা থেকে কেমন ভাবে নিজেদের বাঁচানো গেলো সেটা দেখা হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, যেই এলাকা গুলো এই অগ্নিপরীক্ষায় সফল হবে, যেসব এলাকা হটস্পটের মধ্যে পড়বে না, আর যেসব এলাকা গুলো হটস্পটে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা কম হবে, সেখানে ২০ এপ্রিল থেকে কিছু গতিবিধির অনুমতি দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘ আমার সর্বোচ্চ প্রাথমিকতার মধ্যে একটা হল দেশের মানুষের হওয়া মুশকিলের সমাধান করা। এবার নতুন গাইডলাইন্স বানানোর সময়ে দেশবাসীর স্বার্থকে নজরে রাখা হবে। আরেকদিকে, এখন রবি ফসল কাটারও কাজ জারি আছে।”