Press "Enter" to skip to content

পাকিস্থানের সাংসদে হনুমানজির গদা কি করছে জানলে আপনিও চমকে যাবেন।

পুরো বিশ্বে এমন এমন কিছু বিচিত্র ঘটনা ঘটে যা মানুষকে চিন্তা করতে বাধ্য করে তোলে। সম্প্রতি এমনি একটা ছবি এশিয়ার দেশগুলোতে ভাইরাল হয়ে পড়েছে যা ভারত সহ বাকি দেশগুলোকে ভাবতে বাধ্য করছে। আসলে ভাইরাল ছবিতে দেখা যাচ্ছে যে একটা সাংসদে স্পিকার মহাশয়ের সামনে নামনো রয়েছে। দাবি করা হচ্ছে ছবিটি পাকিস্থানের সিন্ধ এসেম্বলির ছবি। এখন প্রশ্ন উঠছে পাকিস্থানের মতো একটা কট্টরপন্থী ইসলামিক দেশের সাংসদে কিভাবে প্রাচীন হিন্দু সনাতন ধর্মের হনুমানজির ছবি থাকতে পারে। আপনাদের জানিয়ে দি, এখন ওই ছবির সাথে সাথে সাংসদে ভিডিও ভাইরাল হওয়ার কারণে এটা নিশ্চিত হওয়া গেছে যে ছবি ও ভিডিও পাকিস্থানের সিন্ধ এসেম্বলির। থাকার কারণ আপনাদের জানাবো তার আগে এই ছবি দেখার পর ভারতের সাধারণ মানুষের রিয়েকশন সম্পর্কে জানিয়ে দি।

সুব্রত নামের এক ভারতীয় বলেছেন আরে আমাদের হনুমানজির গদা ওখানে কি করছে? কৌশল লিখেছেন, গাধাদের কাছে গদা কি কাজে লাগবে? সানা হোসেন লিখেছেন অবাক ব্যাপার, হনুমানজির গদা ওখানে কি করছে। বিবেক গৌতম লিখেছেন, স্পিকার মহাশয় তো ভক্ত । জানিয়ে দি, এই গদা ভগবান বিষ্ণু, ভগবান কৃষ্ণ,মা দূর্গা এবং পাণ্ডব ভীমের মতো প্রক্রমনশালীদের হাতে দেখতে পাওয়া যায়। হিন্দু ধর্মগন্থ অনুসারে এই গদা ধারণ করার জন্য ক্ৰোধ, লোভ, অহংকার, বাসনা ও মায়া এই ৫ বিষয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকা খুবই আবশ্যক ছিল।

প্রাচীন ভারতে গদাকে শুধু একটা অস্ত্র হিসেবেই নয় সাথে সাথে স্বঅভিমান বোধ, শাসন করার অধিকার ও শাসন করার শক্তির প্রতীক বলে মনে করা হতো। জানলে অবাক হবেন বর্তমান যুগেও এই বিষয়টিকে কিছুটা মেনে চলা হয়। হতে পারে যে হনুমানজির সাথে এই গদার সম্পর্ক নেই কিন্তু শুধু পাকিস্থান নয় বিশ্বের বহু লোকতান্ত্রিক দেশের বিধানসভায় এই ধরণের গদা দেখতে পাওয়া যায়। এই গদার রং বা আকার বিভিন্ন দেশ নিজের নিজের মতো করে তৈরি করে থাকে।

এমনকি কমনওয়েলথ রাষ্টের সদনেও এই গদাকে সভাপতির সামনে রাখা হয়। যার অর্থ এই বোঝানো হয় যে এই ব্যাক্তি ক্রোধ, লালসা, অহংকার, বাসনা ও মায়ার মতো পাঁচ দোষ থেকে মুক্ত এবং উনার কাছে শাসনের অধিকার ও শাসন করার শক্তি রয়েছে। স্বাধীনতার আগে ভারতের সাংসদে গদা রাখা হতো কিন্তু স্বাধীনতার পর গদাকে সরিয়ে দেওয়া হয়।