Press "Enter" to skip to content

ভারতের এক সাধারণ শ্রমিকের প্রেমে পড়লো পুতিনের এক আধিকারিক! সকলের জানা উচিত এই দুর্দান্ত লাভ স্টোরি।

গোয়াতে বার ম্যান এর কাজ করা এক সাধারণ মজদুরের ছেলের উপর এক ২৫ বছরের রুশী অফিসার নিজের মন দিয়ে দেয়। মেয়েটি কোনো সাধারণ মেয়ে নয়, সে রাশিয়ান পার্লামেন্ট হাউসের ইকোনোমিকস ডিপার্টমেন্টের এক অফিসার। বুন্ডেলখণ্ডের মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত সাগর জেলার বাসিন্ধা নরেন্দ্র লোধী। রুশের আ্যনাসতাসথার সঙ্গে আলাপ হওয়ার ৩ বছর পর তাকে বিয়ে করে নেয়।

লাভ স্টোরী শুরু হয় তিনবছর আগে গোয়াতে। সেখানে নরেন্দ্রর আলাপ আ্যনাসতাসথার সঙ্গে বিয়ার বারে হয় যেখানে সে বিয়ার বার কাউন্টারে বার ম্যান এর কাজ করত। সেখানেই নরেন্দ্রর রুশের অফিসার আ্যনাসতাসথার সঙ্গে দেখা হয়েছিল। তাদের প্রথমদিকের কথা শুরু আদ-খাবছা বা ভাঙা-চোরা ইংরেজিতে হয়। ২৫ বছরের রুশী কন্যাও ইংরেজি জানতোনা কিন্তু দুজন-দুজনের সঙ্গে চোখের ভাষায় কথা বলে সব বুঝছিলো দুজন দুজনের কথা এবং আস্তে আস্তে দুজনে দুজনের মনের কথাও বোঝা শুরু করলো।

নরেন্দ্রর সবসময় সত্য কথা বলার প্রবণতাই আ্যনাসতাসথার মন জয় করে নিয়েছিল। প্রায় আড়াই বছর ধরে আ্যনাসতাসথা ভারতে আসত নরেন্দ্রর সাথে দেখা করতে এবং এমনিতে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তাদের মধ্যে কথা চলত। এরপর আ্যনাসতাসথা নরেন্দ্রকে মস্কোতে ডেকে নেয়। শুধু তাই নয়, বুধবার দুজনে সাগরের আপার কালেক্টর দীনেশ শ্রীবাস্তবকে তাদের বিয়ের রেজিস্ট্রেশন করানোর জন্য আবেদন জানায়। আ্যনাসতাসথা বলেছেন যে তিনি সনাতন হিন্দু ধর্ম গ্রহন করে নরেন্দ্র এর সাথে জীবন কাটাতে চাই।

নরেন্দ্র এক মজদুর পরিবারের ছেলে । তার পিতা কাশিরাম লোধীর কাছে তেমন কোনো সম্পত্তি নেই বললেই চলে। পুরো পরিবারের মজদুরি করেই ঘর চলে। নরেন্দ্রর পরিবারে মা ছারা এক ভাই ও বোন আছে। নরেন্দ্র জানায় যে সে কদিন আগে আ্যনাসতাসথাকে নিয়ে গ্রামে নিয়ে যায় তার পরিবারের সাথে দেখা করাতে এবং এখন তিনি আ্যনাসতাসথার সঙ্গে রুশে গিয়ে থাকার প্রস্তুতিতেই আছেন এবং ভিসার জন্য আপিলও করে দিয়েছেন।

9 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.