Press "Enter" to skip to content

‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পের মাধ্যমে ৩ লক্ষ কোটি টাকা বাঁচিয়ে ও বিশ্বে ২য় স্থান দখল করে এই নতুন রেকর্ড গড়ল মোদী সরকার।

কেন্দ্রের ভারতকে সর্বশ্রেষ্ঠ করার যে পন নিয়েছে তাতে জোরদারভাবে কাজ করে চলেছে। নোটবন্ধি থেকে GST এর মতো বড়ো পদক্ষেপ নিয়ে দেশকে অনেকটা দুর্নীতিমুক্ত করার সাথে সাথে মেক ইন ইন্ডিয়ার মতো পদক্ষেপ নিয়ে দেশের কর্মনিয়োগ ও দেশী প্রযুক্তিতে প্রয়োনজনীয় সামগ্রী তৈরি করার পদক্ষেপ নিয়েছে। সম্প্রতি ইন্ডিয়া সেলুলার এন্ড ইলেক্ট্রনিক এসসিয়াশন একটি চমকে দেওয়ার মতো রিপোর্ট বের করেছে।রিপোর্টে বলা হয়েছে ভারতে হ্যান্ড সেট বানানোর জন্য ইকো সিস্টেম তৈরি হওয়ার জন্য দেশের প্রায় ৩ লক্ষ কোটি টাকা বেঁচে গিয়েছে। এই রিপোর্ট বর্তমান ের খুলে প্রশংসা করা হয়েছে। রিপোর্ট জানিয়েছে এত বড়ো একটা উপলব্ধির জন্য শ্রেয় কেন্দ্র সরকারের পলিসি

এই রিপোর্ট অনুযায়ী বিগত ৪ বছরে মোবাইলে হেডসেট বানাতে ও এসেম্বল করার কাজে অনেক দ্রুতগতি এসেছে। এর আগের ৩ বছর অবধি ভারত ৮০% মোবাইলে বাইরে থেকে আমদানি করতো বলে জানা গিয়েছে। মেক ইন ইন্ডিয়া লঞ্চ হওয়ার পর ভারতে মোবাইল উৎপন্ন করার কাজে অনেক গতি এসেছে। জানলে অবাক হবেন মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পের জন্য ভারত এখন মোবাইল তৈরিতে বিশ্বে চীনের পর স্থান অধিকার করেছে। অর্থাৎ মোবাইল তৈরিতে ভারত এখন দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে।

২০১৭-১৮ তে ভারতে ২২ কোটির বেশি মোবাইল এসেম্বল করা হয়েছে যা এই বছরের মার্কেট ডিমান্ডের প্রায় ৮০ শতাংশ। এছাড়াও এই কারণে ভারতে শুদ্ধ বিদেশি মুদ্রার বেঁচে যাওয়ার পরিমান ৬০ হাজার কোটি রয়েছে। এছাড়াও এই বিগত ৪ বছরে মোবাইল হ্যান্ডসেট ও মোবাইলে কম্পোনেন্ট উৎপাদনে প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ মানুষের থেকে বেশিজন রোজকার পেয়েছেন। ভারতের আলাদা আলাদা রাজ্যতে ১২০ এর বেশি মোবাইল উৎপাদন ইউনিট লাগানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই বিশ্বের সবথেকে বড় মোবাইল তৈরির ফ্যাক্টরি করা হয়েছে উত্তরপ্রদেশের নয়ডাতে। যার উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যানাথ নিজে উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখযোগ্য ব্যাপার এই যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারত যে নতুন ভারত হয়ে উঠার এক স্বপ্ন দেখছিল তা এবার সত্যি করেই কাজের মাধ্যমে ফুটে উঠতে শুরু করেছে।আপনাদের জানিয়ে দি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারত এখন বিশ্বের ৬ তম আর্থিক শক্তিশালী দেশ হিসেবে উঠে এসেছে। অথচ এই ভারত কংগ্রেস আমলে আর্থিকভাবে শক্তিশালী দেশের তালিকায় ১০ তম স্থানে থাকতো। শুধু এই নয় ইস এন্ড ডুইং বিজনেস এও ভারত আগের তুলনায় অনেক উপরে(১৪২ থেকে ১০০) এসে নতুন রেকর্ড করেছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে সরকারের উপলদ্ধি কথা দেশের জনগণের থেকে লুকিয়ে মিডিয়া শুধুমাত্র নিজেদের এজেন্ডা চালানোয় ব্যাস্ত হয়ে পড়েছে।