Press "Enter" to skip to content

এক মোদী গুন্ডা, আরেক অমিত শাহ গুন্ডা, এই দুই গুন্ডা: মমতা ব্যানার্জী।

পশ্চিমবঙ্গে BJP লাগাতার শক্তিশালী হচ্ছে এবং তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা বিজেপিতে যোগদান করছে। অন্যদিকে BJP পার্টির এই শক্তিবৃদ্ধি দেখে মমতা ব্যানার্জী একটু হলেও ঘাবড়ে গিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছে গেছে যে পুরো দেশের নজর বঙ্গরাজনীতির উপর। সম্প্রতি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ কলকাতার রোড শো করেছিলেন যারপর থেকে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি আরো উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

অমিত শাহের রোড শোকে কেন্দ্র করে কলকাতার রাস্তায় তৃণমূল-বিজেপির একটা সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়েছিল। আর এখন সেই সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক আক্রমন ও পাল্টা আক্রমণ শুরু হয়েছে তৃণমূল বিজেপির মধ্যে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী বিজেপি ও অমিত শাহের উপর কড়া ভাষায় আক্রমন করেছেন। অমিত শাহ ও নরেন্দ্র মোদীকে গুন্ডা বলে আক্রমন করেছেন।

মমতা ব্যানার্জী বলেন, দুটো গুন্ডা আছে একটা মোদী গুন্ডা একটা অমিত শাহ গুন্ডা যারা বাংলার সভ্যতা নষ্ট করছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিজেপি বাংলার সভ্যতাকে নষ্ট করার ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। বিজেপি বহিরাগত সংস্কৃতি আমদানি করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। অমিত শাহকে আক্রমন করে মমতা ব্যানার্জী বলেন, বিদ্যাসাগরের গায়ে হাত দিলে গুন্ডা বলবো না তো কি বলবো, শুধু গুন্ডা নয় গুন্ডা,সন্দা, পণ্ডা সব বলবো।

নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহের উপর অপত্তিজনক মন্তব্য করে মমতা ব্যানার্জী রাজনৈতিক উত্তাপ আরো বাড়িয়ে দিয়েছেন। মমতা ব্যানার্জী বলেন, বিজেপির ভাগ্য ভালো যে আমি শান্ত হয়ে বসে আছি নাহলে বিজেপির মুখ্যালয় দখল করতে ১ সেকেন্ড সময় লাগবে। বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে লাগাতার বড় বড় সভা করে চলেছে যার জন্য তৃণমূল একটু হলেও চাপে রয়েছে। নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে অমিত শাহ এমনকি যোগী আদিত্যনাথ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে সভা করে চলেছেন। ফলে রীতিমতো চাপে তৃণমূল ব্রিগেড। যদিও রাজ্যের পরিস্থিতির দিকে লক্ষ রেখে  নির্বাচন কমিশন প্রচারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।