ভোটব্যাঙ্কের জন্য দিদি সব পারেন ! তাই এবার দিদি ভোটব্যাকের জন্য পৌঁছে গেলেন ..

আজ সকাল থেকেই সারা ভারতবর্ষ ছট উৎসবে মেতে উঠেছে। সকাল থেকেই দেশের নানা জায়গায় ছট পুজোকে ঘিরে নানা রকম চিত্র দেখা যাচ্ছে । যদিও ছট পুজোর সব থেকে দারুন চিত্রটি কালকে কলকাতায় দেখা গিয়েছে। যেখানে ছট পুজোর উপলক্ষে মমতা ব্যানার্জি নিজে উপস্থিত হয়েছিলেন। তিনি যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তাই যেকোনো সামাজিক উৎসবে ভাগ নিতে পারেন। কিন্তু কথা আসছে যখন তিনি মহরমের সময় দুর্গা মার বিসর্জনের উপর নিষেধাজ্ঞা লগিয়ে দেন, রামনবমী শোভাযাত্রা তিনি নিষেধাজ্ঞা লাগিয়ে দেন, হনুমান জয়ন্তীর রেলিতে নিষেধাজ্ঞা লাগিয়ে দেন, এমনকি সরস্বতী পূজায় ছাত্রদের উপর লাঠি চার্জ করে দেন, তাহলে তিনি ছট পূজোয় পৌঁছালেন কী করে?

যেখানে আজ সকাল থেকে প্রশ্ন উঠছে, মমতা ব্যানার্জির হৃদয় কি পরিবর্তন হয়ে গেল? না আগত ২০১৯ এর ভোটের জন্য তিনি নিজেকে হিন্দু রঙে রাঙ্গানোর চেষ্টা করছেন? এমন প্রশ্ন উঠে আসছে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপি সমর্থকদের কাছে থেকে। এই নিয়ে বিরোধীদের দিক থেকে বলা হচ্ছে, এটা মমতার ” হিন্দু অবতার” যা সময়ের সাথে সাথে বদলাতে থাকে। মমতা ব্যানার্জির কী তাহলে গঙ্গার ঘাটে ছট পূজোর মধ্যে কী ভোটের ব্যাঙ্ক দেখতে পাচ্ছেন? তাহলে কেন তার এই আমূল পরিবর্তন।

তৃণমূলের তথাকথিত বাঙালি প্রেমীরা কিছুদিন আগেই বিজেপি রাজ্যে বাঙালি মৃত্যু নিয়ে হিন্দিভাষী ও বাঙালিদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু এখন সেই দলের নেত্রী ভোটের স্বার্থে ছট পূজা পালন করতে নেমে পড়েছেন। জানিয়ে দি, তৃণমূলের অন্দরে একটা গ্রুপ রয়েছে যারা বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের নাম করে হিন্দিভাষী হিন্দু ও বাংলা ভাষী হিন্দুদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে। তৃণমূলের মূল উদ্দেশ্য হিন্দুদের ভাষার নাম ভাগ করে ভোট ব্যাঙ্ক তৈরি করা।

যেখানে আগত ভোটের সময়সীমা দিন দিন এগিয়ে চলেছে সেখানে সব রাজনৈতিক দল নিজের প্রচারে ব্যস্ত এবং অন্যকে কিভাবে নিচে নামানো যায় তার প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ ভাবে চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিটি দল।

you're currently offline

Open

Close