Press "Enter" to skip to content

মমতা ব্যানার্জীর হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করা উচিত বলে তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপি মন্ত্রী।

পশ্চিমবঙ্গে মমতা ব্যানার্জীর শাসনকালে প্রথম দিকে রাজনীতিতে সাম্প্রদায়িক রং উঠে না এলেও। বর্তমানে মমতা ব্যানার্জীর সরকারের উপর মুসলিম তোষণের অভিযোগ বার বার করছে বিরোধীরা। বিশেষ করে রাজ্যে বিজেপি শক্তিশালী হওয়ার মূল কারণ তৃণমূল সরকারের মুসলিম তোষণ। যদিও এই দাবি মানতে নারাজ মমতা ব্যানার্জীর পার্টি। সম্প্রতি মমতা তোষণের উপর মুখ খুললেন
বিজেপির এক বড়ো নেতা। মমতা ব্যানার্জীকে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করার কথা বললেন বিজেপি নেতা । তিনি মমতা কে হিন্দুত্বের প্রশ্ন তুলে আক্রমণ করলেন, সেই পাশাপাশি তিনি জানান যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে দেওয়া উচিৎ। সেই সাথে বিজেপি নেতা প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রীর মানসিক সুস্থতা নিয়েও।
সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডানপন্থী সংগঠনদের নিয়ে একটি মন্তব্য করেন।

সেই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রাজস্থানের শ্রমমন্ত্রী যশবন্ত সিং যাদব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেশ প্রেম ও জ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন করেছেন। তিনি বলেন যে একজন সাধারন মানুষের দেশের প্রতি যে ভালোবাসা থাকা দরকার সেটাও মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেই। তিনি বলেন যে হিন্দু সংগঠন কে নিয়ে মমতাজি মন্তব্য করেন যে “সব হিন্দু সংগঠন নাকি উগ্রবাদী৷” তাই এই বিষয়ে তার প্রতিক্রিয়া হল যে যদি সব হিন্দুরা উগ্রবাদী হয় তাহলে উনি কেন এখনও এই হিন্দু ধর্মে আছেন। কেন তিনি হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে দিচ্ছেন না।
আসলে, গত ২১ শে জুলাই তৃনমূলের তরফ থেকে একটি জনসভার আয়োজন করা হয় শহিদ দিবসকে উপলক্ষ্য করে।

সেখানে বক্তৃতা দেবার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গণপিটুনি সহ একাধিক বিষয় নিয়ে বিজেপি ও আরএসএসকে আক্রমণ করেন। তিনি সেখানে বলেন যে, আরএসএস দেশ জুড়ে বিনা কারনে গণপিটুনির মত ঘটনা ঘটাচ্ছে। তারা সাধারণ মানুষ কে উগ্রপন্থার দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। শুধু এখানেই থেমে যান নি, সেই দিনের মঞ্চ থেকে তিনি বিজেপি ও আরএসএস সংগঠনের বেশ কিছু নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন যে তারা নাকি ধর্মকে ব্যাবহার করে নোংরা খেলা খেলছেন।

রাজস্থানের শ্রমমন্ত্রী জানান যে তিনি নিজেও গোরক্ষার নামে গণপিটুনিকে সাপোর্ট করেন না। কিন্তু তিনি বলেন যে এইভাবে বেআইনি ভাবে যে ব্যাবসা চলছে গো মাংস বিক্রির নাম করে এটা যদি বন্ধ না হয় তাহলে সরকার বা সংগঠন আইন করে এই গণপিটুনির মত ঘটনা গুলি বন্ধ করতে পারবে না। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই অবৈধ ব্যাবসা বন্ধ করে দেওয়া উচিৎ। তিনি আরও বলেন তাই বলে এই ভাবে অন্য ধর্ম কে আঘাত করা উচিৎ কাজ নয়। অন্য ধর্মের মানুষের ভাবাবেগে আঘাত লাগে এমন কোনো মন্তব্য করা উচিৎ নয়। যেটা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করেছেন হিন্দু ধর্মের মানুষকে নিয়ে।
#অগ্নিপুত্র