মুখ পুঁড়লো মমতার, স্বৈরচারী সরকারের বিরুদ্ধে বড় জয় বিজেপির

সরস্বতী পুজার দিনে আততায়ীর হাতে খুব হন নদীয়ার কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস। কোনোরকম তদন্ত ছাড়াই সেই দোষ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল বিজেপি তথা মুকুল রায়ের ঘাড়ে। এই ঘটনার পর প্রাণ ভয়ে দিন গুনছিলেন বিজেপির দাপুটে নেতা মুকুল রায়। আর তাঁর থেকেও বড় মমতা ব্যানার্জীর পুলিশ ওনাকে অহেতুক যেকোন সময় গ্রেফতার ও করতে পারত।

আর সেই জন্য তিনি আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। আজ কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এর ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলার শুনানি করে। এই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, এখন মুকুল রায়কে গ্রেফতার করা যাবেনা। নির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ ছাড়াই কোন নেতাকে এমন ভাবে হেনস্থা করা যাবেনা।

TMC MLA Satyajit Biswas

হাইকোর্টের এই রায়ের পর চরম স্বস্তিতে মুকুল রায়। উনি নিজের প্রাণ ভয়েও সংশয়ে আছেন। তাই তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে কঠোর নিরাপত্তার আবেদন ও জানিয়েছেন। তবে হাইকোর্ট থেকে জানান হয়েছে যে, বিধায়ক সত্যজিৎ এর খুনে মুকুল রায়কে হাঁসখালি থানার সহযোগিতা করতে হবে।

মুকুল রায় সহযোগিতা করতেও প্রস্তুত। আদালত থেকে এও বলা হয়েছে যে, তদন্ত চলাকালীন নদীয়ায় যেতে পারবেন না মুকুল রায়। আদালতের এই রায়ের পর কিছুটা হলেও ব্যাকফুটে গেরুয়া শিবির। কারণ তদন্ত চলাকালীন মুকুল রায় নদীয়া জেলায় যেতে না পারলে সেখানে তিনি প্রচার ও করতে পারবেন না। আর এরফলে কিছুটা হলেও বিজেপির ক্ষতি হবে।

এই মামলা আবার আগামী ৫ই মার্চ উঠবে কলকাতা হাইকোর্টে। আর আগামী ৭ই মার্চ পর্যন্ত মুকুল রায়কে গ্রেফতার করতে পারবে না মমতা ব্যানার্জীর পুলিশ। তবে বিধায়ক খুনের ঘটনায় শুধু বিজেপি অথবা মুকুল রায়কেই দায়ী করেনি তৃণমূল। এর থেকে একধাপ এগিয়ে আরএসএস করে দায়ী করেছেন তৃণমূলের যুবরাজ তথা ডায়মন্ড হারবারের জয়ী সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জী।

উনি এই ঘটনায় সরাসরি আরএসএস এর হাত আছে বলে অভিযোগ করেছেন। উনি বলেছেন আরএসএস এরাজ্যে হিংসার রাজনীতি ছড়াতে এসেছে। যদিও সাংসদ অভিষেক এর অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে এই ব্যাপার নিয়ে ওনার উপরে আইনি পথে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে আরএসএস।

Leave a Reply

you're currently offline

Open

Close