Press "Enter" to skip to content

ভারতবন্ধে কংগ্রেসকে এই কারণে সমর্থন করলো না মমতা ব্যানার্জীর সরকার।

চাল,ডাল, রান্নার তেল থেকে শুরু করে সমস্থ রকমের সবজির দামে ব্যাপক হারে কমতি এনে বিরোধীদের মুখ বন্ধ করেদিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু কংগ্রেসের কাছে ঋণ করে রেখে এখন পেট্রোল ও ডিজেলের দাম নিয়ে সরকারকে ঘিরতে শুরু করেছে বিরোধীরা। দেশে পেট্রোপন্যের মূল্যবৃদ্ধির জন্য ১০ ই সেপ্টেম্বর কংগ্রেস ভারতবন্ধের ঘোষনা করেছেন। তারা তাদের এই ভারতবন্ধকে সফল করার দেশের সমস্ত মোদীবিরোধী দল গুলি কে আহ্বান করেছেন। তারা দিল্লিতে সরকারের বিরোধীতা করার জন্যই মূলত এই ভারতবন্ধ ডেকেছেন। কিন্তু এই রাজ্য কি আদেও এই ভারতবন্ধকে সমর্থন করছেন? পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার কি রাহুল গান্ধীর সাথে হাত মিলিয়ে এই ভারতবন্ধে সামিল হবেন? সেই প্রশ্নই ঘোরাফেরা করছে রাজ্যবাসীর মনে। আপনাদের জানিয়ে রাখি, না এই ভারতবন্ধকে সমর্থন করছেন না রাজ্য সরকার।

মোদীর জন্য বিরোধিতায় একত্র হলেও জনগণের চাপে বন্ধে অংশ নেয়নি তৃণমূল। কারণ দিনের পর দেনা বাড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গ এমনিতেই আর্থিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। তারমধ্যে এই বন্ধ সমর্থন করলে রাজ্যের জনগণ মমতার সরকারকে উপড়ে ফেলতে আরো উদ্যোগী হয়ে উঠবে। জানিয়ে দি তেলের দাম বৃদ্ধিকে ইস্যু করে বাসের ভাড়া অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে ব্যানার্জীর সরকার আর তারউপর বন্ধ সমর্থন করলে জনগণ আরো বেশি তৃণমূল বিরোধী হয়ে উঠবে।

এছাড়াও পরিবহন দফতর জানিয়েছেন যে, অনেক গুলি বাস রিজার্ভ করে রাখা হবে, যদি দেখা যায় যে কোনো রুটে বাস কম চলছে তাহলে সেখানে সরকারি বাস পাঠানো হবে। রাজ্যে কোনো মানুষকে যাতে ভোগান্তির মধ্যে না পড়তে হয় সেই জন্যই রাজ্য সরকার কংগ্রেসের ডাকা এই বন্ধকে মানছেন না। তারা কংগ্রেসের ডাকা এই ভারতবন্ধকে প্রত্যাখ্যান করলেন।

রাজ্যের বেহাল অবস্থার জন্য একের পর এক বড়ো বড়ো সেতু ভেঙে পড়তে শুরু করেছে। যা নিয়ে প্রচন্ড ক্রুদ্ধ রয়েছে রাজ্যবাসী। সরকারি বাসগুলিতে লাগাম ছাড়া বৃদ্ধি করেও জনগণের ক্ষোপের শিকার হয়েছে মমতা ব্যানার্জীর সরকার। এর মধ্যে যদি মোদী বিরোধ করতে গিয়ে বন্ধ সমর্থন করতো তাহলে নিজের পায়েই কুড়াল মারার মতো কাজ হতো তৃণমূলের।

#অগ্নিপুত্র