Press "Enter" to skip to content

বড় খবর – “মমতা আর খুশী করতে পারলেন না পশ্চিম বাংলার হিন্দুদের”

মুসলিম তোষণের জন্য মমতা ব্যানার্জীর নাম শুধু পশ্চিমবঙ্গে নয়, পুরো ভারতে বিখ্যাত হয়ে উঠেছে। আর সেটা থেকে মুক্তি পেতে ও হিন্দু ভোট বাঁচিয়ে রাখতে নতুন পরিকল্পনা করেছিলেন পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী । রাজ্যের ২৮ হাজার দূর্গাপূজায় সরকারি অনুদানের ঘোষণা করেছিল মমতা ব্যানার্জীর সরকার। মুসলিম তোষণের দাগ ঘোচানোর জন্য মমতা ব্যানার্জীর সরকার কলকাতা শহরের ৩ হাজার ও রাজ্যের ২৫ হাজার পুজোকে ১০ হাজার টাকা করে অনুদানের ঘোষণা করেছিলেন। যার উপর স্থগিতাদেশ জারি করল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রথমেই এই অনুদান দেওয়া নিয়ে ইমাম ও মুসলিম সমাজের কিছু অংশ পথে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। পথে নেমে ইমামদের ভাতা আরো বাড়িয়ে দূর্গাপূজার অনুদান বন্ধের দাবি জানায় ইমামরা, একই সাথে তারা ১০,০০০ মাদ্রাসাকে সাহায্য করার জন্যেও দাবি তোলে।

আরো পড়ুন –  বড় খবর – কেবল আট-দশটি নয়, বিশ-বাইশ জনের বেশি তৃণমূলের বড় নেতা সংস্পর্শে আছে মুকুল রায়ের !

তবে এবার এই দুর্গাপূজার অনুদানের উপর স্থগিতাদেশ জারি করল কলকাতা হাইকোর্ট যা মঙ্গলবার পর্যন্ত এই বহাল থাকবে বলে জানা যাচ্ছে। আসলে প্রধান বিচারপতি মমতা ব্যানার্জীর সরকারের কাছে কয়েকটি প্রশ্নের জবাব চান। ১মত, সাধারণ জনগণের টাকা কোন পরিপ্রেক্ষিতে ব্যবহার করা হচ্ছে? এই টাকা দেওয়ার কিছু গাইডলাইন নিয়ম আছে না নেই? ২য়ত, সব ধর্ম সম্প্রদায়ের উৎসবপার্বণে কি এই ভাবে টাকা প্রদান করা হয়? তৃতীয়, যদি ২৮ হাজারের বেশি দুর্গাপুজো হয়, তাহলে সেই পুজো কমিটিগুলো কি টাকা পাবে? দেওয়া টাকার পুরো খরচ না হলে সেই টাকা কি পুজো কমিটি কি করবে?

আরএসপি নেতা অশোকবাবু হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে দেওয়া চিঠিতে যুক্তি দিয়েছেন, যে কোন ধর্মীয় আয়োজনে সরকারি অর্থ প্রদান সংবিধানে বলা ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রকাঠামোকে ভঙ্গন করে। আমাদের ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এমন ঘোষণা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে তাঁর দাবি। আরো দাবি, দরকারী জনস্বার্থের কাজে টাকা বরাদ্দ না করে ২৮ হাজার পুজো কমিটিকে ২৮ কোটি টাকা কেন প্রদান করা হবে?

জানিয়ে দি, পুজোয় টাকা প্ৰদান নিয়ে বেশ কয়েকদিন দিন থেকেই চর্চা তুঙ্গে রয়েছে।একদিকে মুসলিম সমাজ টাকা মাদ্রাসায় খরচ করার দাবি জানিয়েছে , অন্যদিকে কিছু শ্রমিক সংগঠনের দাবি অনেক ন্যায্য পাওনা আটকে এইসব ধর্মীয় রাজনীতি করা হচ্ছে। একইসাথে বিজেপি এই সুযোগে মমতার ধৰ্মীয় রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে তৃণমূল কংগ্রেসকে আরো দুর্বল করার কাজ করছে। গতমাসে দুর্গাপুজো আয়োজকদের সঙ্গে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে কলকাতা পুলিশ, দমকলের সমন্বয় বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী এই অনুদানের কথা ঘোষণা করেছিলেন যা এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।