Press "Enter" to skip to content

মমতা হিটলার ও সাম্প্রদায়িক! বিস্ফোরক দাবি এই তৃণমূল নেতার।

রশিদুল হক যিনি কোচবিহার ১ নম্বর ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য। তিনি এবার নিজের ক্ষোভ উগড়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃনমূল নেত্রী ব্যানার্জি এর বিরুদ্ধে। তার ক্ষোভের অন্যতম কারন হল জেলা সভাধিপতির পদে তার পছন্দের প্রার্থীকে না বসানো। শুক্রবার সকাল থেকে এই ঘটনার সূত্রপাত ঘটে। জেলা সভাধিপতি পদের অন্যতম দাবিদার ছিল আব্দুল জলিল আহমেদ কিন্তু তার বদলে সেই পদ দিয়ে দেওয়া হয় উমাকান্ত বর্মনকে যিনি মন্ত্রী বিনয়কৃষ্ণ বর্মনের ঘনিষ্ঠ বলেই জানা যাচ্ছে। তারপর থেকেই ক্ষোভে ফেঁটে পড়ে একাংশ। মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের গাড়িকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে জলিলের ঘনিষ্ঠ অনুগামীরা। তারা জুতোর মালা পড়িয়ে দেয় মন্ত্রীদের ছবি তে। শেষে তারা সেইসব ছবি পুড়িয়ে দেয়।

ঠিক তারপরই রশিদুল নিজের ক্ষোভ সাংবাদিকদের ব্যক্ত করেন। তিনি এইদিন বলেন যে, “একজন পঞ্চায়েত সমিতির মেম্বার হয়ে আমি দাবি জানাচ্ছি, জেলা পরিষদের মাথায় যদি একজন এসসি প্রার্থীকে বসাতে চান, তাহলে তিনি কেন এটি জেনারেল করলেন?

সেই সাথে তিনি আরও বলেন যে, “ইতিহাস পড়ে আমরা জেনেছি হিটলার ছিলেন সাম্প্রদায়িক।” কিন্তু মমতা ব্যানার্জি হলেন তার থেকেও বেশি সাম্প্রদায়িক। ভারতবর্ষতে মমতার মত সাম্প্রদায়িক মহিলা আর একটাও নেই। আমি লজ্জিত। তার নেতৃত্বে দল করার জন্য আমরা নিজের লজ্জা লাগে।

ততক্ষনে উমাকান্ত বর্মন ও প্রাক্তন
সভাধিপতি পুষ্পিতা রায় ডাকুয়াকে সহ সভাপতি পদে রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশে নির্বাচন করা হয়ে গিয়েছে। এখানেই না থেমে রশিদুল আরও বলেন যে, ” মুসলমানদের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে যাওয়ার ব্যাপারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর ভুল ধারনা রয়েছে। মুসলমানরা সঠিক সময়ে এর জবাব মমতা কে দেবে।”
#অগ্নিপুত্র