Press "Enter" to skip to content

“আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন, রামমন্দির অন্য স্থানে করুন”: মনিশঙ্কর আইয়ার, কংগ্রেস নেতা।

রাম মন্দির ইস্যুতে দেশের রাজনৈতিক মহল আরো একবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। পরবর্তী শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের এক বেঞ্চ ঠিক করবে যে শুনানি ‘ডে টু ডে’ হবে নাকি এইভাবেই বছরের পর বছর ধরে চলতেই থাকবে। এখন যদি আদালতের বেঞ্চ ডে টু ডে শুনানির সিধান্ত নেয় তবে চরম সমস্যায় পড়বে কংগ্রেস পার্টি। কারণ ড টু ডে হেয়ারিং হলে এই মামলা মাত্র কয়েকদিনের মাথায় শেষ হয়ে যাবে। এই মুহূর্তে মামলা যে অবস্তায় রয়েছে তাতে এটাও বলা যেতে পারে যে মামলার ফলাফল হিন্দুদের দিকেই যাবে। কারণ মন্দির ভেঙে আতঙ্কবাদী বাবর মসজিদ তৈরি করেছিল তা প্রমান করা সম্ভব হয়েছে। আর জমির উপর বাবরের বা বাবরকে নিজের পূর্বপুরুষ মনে করা মুসলিমদের কোনো অধিকার থাকার পক্ষে যুক্তি নেই।

তাই ডে টু ডে শুনানি চললে খুব বেশি হলে দেড় মাসের মধ্যে রাম মন্দির নির্মাণের পথ পরিষ্কার হয়ে যাবে। আর এই নিয়েই এখন চাপে পড়েছে কংগ্রেস পার্টি, কারণ মন্দির নির্মাণের অনুমতি পাওয়া গেলে বিজেপির কদর দেশে আরো অনেক বেশি বেড়ে যাবে। তাই এখন রাম মন্দির নিয়ে লাগাতর মন্তব্য করতে শুরু করেছে কংগ্রেসের বরিষ্ট নেতারা। সম্প্রতি কংগ্রেস পার্টি ও পাকিস্থানের প্রিয় নেতা মনিশঙ্কর আইয়ার রাম মন্দির ইস্যুতে যা মন্তব্য করেছেন তা নিয়ে দেশজুড়ে হৈচৈ শুরু হয়ে গিয়েছে।

মনিশঙ্কর বলেছেন, আপনারা অযোধ্যায় মন্দির বানাতে চাইলে বানান কিন্তু ওই স্থানেই মন্দির নির্মাণ করবেন এটা সঠিক সিধান্ত নয়। মনিশঙ্কর বলেন, রাজা দশরথ মহান রাজা ছিলেন যার প্রসাদে ১০ হাজার কক্ষ ছিল বলে শোনা যায়। কিন্তু কেউ বলতে পারবে না যে কোন কক্ষ কোথায় ছিল। ঠিক সেইভাবেই শুধুমাত্র আপনারা বিস্বাস করেন যে রাম সেখানে জন্মেছিল, এই বিস্বাস এর উপর ভিত্তি করে মসজিদ ভেঙে মন্দির নির্মাণ করা উচিত কার্য নয়। মনিশঙ্কর রাম মন্দিরের অস্থিতের উপর প্রশ্ন ছুড়ে দেন এবং মুসলিমরা এদেশে ভয়ভীতি হয়ে আছে বলে বিজেপির উপর আক্রমণ করেন। অর্থাৎ রাম মন্দির ইস্যুতে বলতে গিয়ে উনি অসহিষ্ণু ইস্যুতে পাকিস্থানের দালাল আমির খান, নাসিরউদ্দিন শাহদের সমর্থন দেন।

মনিশঙ্কর বলেন হিন্দুস্থানে আল্লাহর উপর বিস্বাস রাখা উচিত। মনিশঙ্কর ‘ মন্দির ওহি বানায়েঙ্গে’ শ্লোগানের তীব্র বিরোধ করেন এবং আল্লাহর উপর বিস্বাস রাখার অনুরোধ জানান। জানিয়ে দি, মনিশঙ্কর আইয়ার গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ট এবং রাজনৈতিক মহলে একজন তীব্র মুসলিম তোষণকারী নেতা হিসেবে পরিচিত যিনি মুম্বাই হামলার জন্য পর্যন্ত হিন্দু সংঘঠনদের দায়ী করেছিলেন। মনে করিয়ে দি, ইনিই সেই নেতা যিনি পাকিস্থানে গিয়ে প্ৰধানমন্ত্রী মোদীকে হারানোর জন্য সাহায্য চেয়েছিলেন।

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.