Press "Enter" to skip to content

কট্টরপন্থীদের বিরুদ্ধে কড়া মোদী সরকার! আতঙ্কবাদীদের ধৰ্মীয় গুজব আটকানোর জন্য প্রয়োগশালা নির্মাণ করবে সরকার।

কাশ্মীর ঘাঁটিতে সন্ত্রাসবাদ দমনের কাজে সেনা একের পর এক রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। ইসলামের নামে বেড়ে উঠা আতঙ্কবাদকে গড়া থেকে উবরে ফেলতে মোদী সরকারও ভরপুর প্রয়াস লাগিয়ে দিয়েছে। কাশ্মীর ঘাঁটিতে সেনার কাজে মূল বাঁধা সৃষ্টিকারী আতঙ্কবাদীদের আম্মা নামে পরিচিত মেহেবুবা মুফতির ক্ষমতার অবসান করেছে বিজেপি সরকার। তবে সেনার কাজে বাঁধা প্রদানের জন্য এবং আতঙ্কবাদীদের রক্ষা করার জন্য নেমে পড়া পাথরবাজদলকে বিলীন করে দেওয়া সম্ভব হয়নি। অবশ্য এটা সত্য যে পাথরবাজদের সংখ্যা আগের থেকে অনেকটাই কমেছে। তবে মোদী সরকার এই পাথরবাজদের পুরোপুরি বিলুপ্ত করার জন্য প্রয়াস চালাচ্ছে।

সরকারের নির্দেশ মতো এবার জম্মুকাশ্মীর পুলিশ এক বিশেষ প্রয়োগশালা খুলতে চলেছে যার মাধ্যমে ধর্মের নামে আতঙ্কবাদ ও পাথরবাজ করা ব্যক্তিদের উপর কড়া নজর রাখা হবে। জম্মুকাশনীরে সাইবার সেল শাখা এই প্রয়োগশালাকে নিয়ন্ত্রণ করবে। আসলে জম্মুকাশ্মীরের কট্টরপন্থীরা যুবকদের আতঙ্কবাদ ও পাথরবাজএ উস্কানি দেওয়ার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়ায়। এই গুজবের কারণে সেনা ও পুলিশ প্রশাসনকে বার বার সমস্যার মুখে পড়তে হয়।

দেশে শক্তিশালী সরকার থাকার জন্য আতঙ্কবাদীরা খোলাখুলিভাবে যুবকদের উস্কানি দিতে পারে না। যুবকদের ব্রেইন ওয়াস করার জন্য এবং ধর্মের নামে অশান্তি ছড়ানোর জন্য কট্টরপন্থীরা এখন সোশ্যাল মিডিয়ার ভরপুর ব্যাবহার করে। তাই সরকার এই গুজব বন্ধ করে কাশ্মীর ঘাঁটিতে শান্তি ফিরিয়ে আনতে প্রয়োগশালা নির্মাণ করতে চলেছে।প্রয়োগশালা থেকে জম্মুকাশ্মীরের হোয়াটঅপ, ফেসবুক গ্রুপের উপর লক্ষ রাখা হবে। বিশেষ আধুনিক যন্ত্র এই প্ৰয়োগশালায় রাখা হবে যার মাধ্যমে গুজব পোষ্টকারী ব্যাক্তির তৎক্ষনাৎ পরিচয় পাওয়া যাবে।

সরকার পাথরবাজদের দমন করার জন্য দুভাবে কাজ করতে চাইছে। একদিকে গুজব আটকে যুবকদের নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ অন্যদিকে উগ্রবাদী পাথরবাজদের দমন করতে সরকার সেনার বিশেষ গাড়ি নির্মাণ করছে যার উপর পাথর ছুঁড়লে পাথরবাজরা তৎকাল অন্ধ হয়ে যাবে। সরকার খুবই শীঘ্রই এই ধরণের গাড়ি সেনায় সামিল করতে চলেছে।

Be First to Comment

Leave a Reply