Press "Enter" to skip to content

ইতিহাস তৈরী করলো মোদী সরকার! ৪৭ বছর আগে ‘ভারত-পাকিস্থান যুদ্ধে’ উড়িয়ে দেওয়া ব্রিজের পুণনির্মাণ করলো ভারত।

দেশে সবথেকে বেশি সময় ধরে যে রাজনৈতিক দল রাজত্ব করেছে তা হলো কংগ্রেস। আর এই কংগ্রেসই আমলেই দেশ সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ক্ষমতা হাতে পাওয়ার লোভে একদিকে যেমন দেশকে ধর্মের নামে বিভক্ত করে পাকিস্থান তৈরি করেছিল তেমনি এই কংগ্রেস পরবর্তী কালে জম্মুকাশ্মীরের একটা বিশাল অংশ পাকিস্থানকে দিয়ে (যা পাক অধিকৃত কাশ্মীর নামে পরিচিত) ও আরেকটা অংশ চীনকে দিয়ে(যা অক্সাই চীন নামে পরিচিত) দেশকে টুকরো টুকরো করে দিয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী পদে নরেন্দ্র মোদীজি বসার পর তিনি এটা সাফ করে দিয়েছিলেন যে ভারতের এক ইঞ্চি জমি কোনো দেশকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। আর তার প্রমানও ডোকালাম এ দেখিয়ে মোদী সরকার। আসলে মোদী সরকার দেশের সুরক্ষা ব্যবস্থাকে উন্নত করার জন্য কোনো খামতি রাখতে রাজি নয়। সম্প্রতি মোদী সরকার আরো একটা বড়ো কাজ সম্পন্ন করেছে যা নিয়ে একটা টু শব্দও করেনি দেশের দালাল মিডিয়া।

পাঞ্জাবের হুসেনওয়ালাতে রাজনৈতিকদিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্রিজের পূর্ননির্মাণ করা হয়েছে যা ১৯৭১ যুদ্ধের সময় উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। আপনাদের জানিয়ে দি, ভারতের সীমান্তের সুরক্ষার দিক থেকে এই হুসেনওয়ালা ব্রিজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু আগের সোনিয়া চালিত সরকার দুর্নীতি করতে এতটাই ব্যাস্ত ছিল যে এই দিকে কোনো ভ্রূক্ষেপ করেনি। রবিবার দিন সুরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সিতারামান এই ব্রিজের উদঘাটন করেন। এই ব্রিজ পুরানো ফিরোজপুর লাহোর রাজমার্গকে ফিরোজপুর ও হুসেনওয়ালার সাথে যোগ করে। হুসেনওয়ালার প্রায় ১০-১২ টি গ্রাম দেশের বাকি অংশের সাথে যোগ করার জন্য এটি একমাত্র ব্রিজ।১৯৭১ এর সময় এই ব্রিজ ভেঙে ফেলা হয়েছিল যাতে পাকিস্থানি সেনা ভারতের দিকে অগ্রসর হতে না পারে।

যুদ্ধের পর সেনা একটা ব্রিজ নির্মাণ করেছিল কিন্তু সেটা বেশি সময় ধরে স্থায়ী হয়নি। এবার প্রায় ৪৭ বছর পর মোদী সরকার এই ব্রিজ পূর্ননির্মাণ করে ইতিহাস তৈরি করেছেন। দেশের সুরক্ষা নিরাপত্তার খাতিরে এই ব্রিজ নির্মাণ খুবই অপরিহার্য ছিল।পাকিস্থানের লাহোরের দক্ষিণে অবস্থিত কাসুরের দিকে আক্রমক অভিযানের সময় ভারতের রক্ষাসামগ্রীকে সেনা অবধি পৌঁছানোর জন্য এই ব্রিজ খুবই সাহায্যকারী। ঐতিহাসিক দিক থেকেও এই ব্রিজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রক্ষামন্ত্রী নির্মলা সিতারামান বলেন, ডিসেম্বর ৩-৪, ১৯৭১ এ উড়িয়ে দেওয়া এই ব্রিজের পূর্ননির্মানের উদঘাটন করে আমি খুব গর্ব অনুভব করছি।

উনি বলেন এই ব্রিজ বাণিজ্য, কৃষির জন্য উপযোগী হওয়ার সাথে সাথে রক্ষা সামগ্রী পৌঁছানোর জন্যেও সাহায্যকারী হবে। সময়সীমার আগে ব্রিজ নির্মাণের জন্য উনি বিআরও এর প্রশংসা করে বলেন, ‘ আমরা ভারতের এক গজ জমির উপরে পাকিস্থানকে কব্জা করতে দেব না।’ জাতীয় শহীদ মেমোরিয়াল এ উনি শহীদদের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন এবং জওয়ানরা পশ্চিম কামান জিন্দাবাদ ও ভারত মাতা কি জয় শ্লোগান দেন । আগে দেশ এই নীতি নিয়ে মোদী সরকার দেশের সীমান্তগুলিকে সুরক্ষিত করতে নেমে পড়েছে এবং পাকিস্থান, বাংলাদেশ সীমান্তের গ্রামগুলিকে সিল করে ও মূলভুত ব্যাবস্থা উন্নত করে দেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করেছে।