Press "Enter" to skip to content

বড় খবর: হুরীয়তকে ব্যান করার পস্তুতি নিচ্ছে মোদী সরকার! রাজ্যপালের রিপোর্ট পৌঁছালো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে।

খাবে ভারতের কিন্তু গুন গাইবে পাকিস্থানের! এমনটাই নীতি কাশ্মীরের সংগঠন ও নেতাদের। কংগ্রেস আমলে এই নেতারা ব্যাপকভাবে নিজেরদের ঘাঁটির শিকড় মজবুত করেছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী যখন মনমোহন সিং ছিলেন তখন এই নেতারা উনার বাড়িতে দুপুরে লাঞ্চ তো সন্ধ্যেই ডিনার করতেন। সেই সময় দেশের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এই দেশদ্রোহী নেতাদের সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে তাদেরকে উপহারের পর উপহার দিতেন।

কিন্তু সেটা কংগ্রেসের সময় ছিল আর বর্তমানে নরেন্দ্র মোদীর সময়কাল। গতকাল জম্মুকাশ্মীরে নরেন্দ্র মোদীর সরকার জামাত-এ-ইসলামের উপর ব্যান লাগিয়ে ছিল। এই খবর আমরা পাঠকদের জানিয়েছিলাম। ওই সংগঠন হিজবুলের প্রেরণা স্রোত, এবার মোদী সরকার আরো বড় প্লানিং করছে। জামাত-এ-ইসলামের পর এবার পালা হুরীয়ত সংগঠনের। জম্মুকাশ্মীরের রাজ্যপাল সত্যপাল মল্লিক এর রিপোর্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক পর্যন্ত পৌঁছে গেছে।

বলা হয় যে, দেশে যত আতঙ্কবাদী হামলা হয় তার সাথে এই সংগঠনগুলি পরোক্ষভাবে জড়িত থাকে। এই সংগঠনের মূল উদ্যেশে জিহাদের নামে কাশ্মীরকে ভারত থেকে আলাদা করা এবং গাজবা-এ-হিন্দকে বাস্তবায়ন করা।

কিছু সময়ের মধ্যে সরকার হুরীয়তকে ব্যান করে দেবে এটা নিশ্চত। এই সপ্তাহের মধ্যেই হুরীয়ত ব্যান হলেও আশ্চর্য্য হওয়ার কিছু নেই। কারণ মোদী সরকার একশন মুডে রয়েছে এবং সাফাই অভিযানকে আরো দ্রুত করার উপর জোর দেওয়ার জন্য কাজ করছে। দেশ বিরোধী জিহাদি শক্তি ভারতের ভুসর্গ এর পরিবেশ সমাজ সমস্থ কিছু নষ্ট করে দিয়েছে। এবার মোদী সরকার এই দেশবিরোধী শক্তির সর্বনাশ করার জন্য মাঠে নেমে পড়েছে।

8 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.