Press "Enter" to skip to content

চীনকে ৩০০০ কোটি টাকার বড় ধাক্কা দিলো মোদী সরকার। এক ঝটকায় চীন কোম্পানি গুলোকে মার দিলো ভারত।

কংগ্রেসরাজে ভুল নীতির জন্য ১৯৬২ সালে ভারতকে আক্রমণ করে ের হাজার বর্গ কিলোমিটার জমির উপর কবজা করে নিয়েছিল চীন। সেই চীন থেকে নিজের জমি ফেরত নিয়ে আসার জায়গায় বদলে চীনের কোম্পানিগুলো ভারতে ব্যাবসা করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিল কংগ্রেস। চীন ভারতে ব্যাবসা শুরু করে বহু আরব কোটি টাকার লাভ করতে থাকে অন্যদিকে ভারতের নিজস্ব কোম্পানিগুলি পিছিয়ে পড়তে শুরু করে। কিন্তু এখন প্রধানমন্ত্রী মোদী কংগ্রেসের ভুলগুলোকে শোধরাতে গিয়ে চীনকে বড় ঝটকা দিয়ে দিয়েছে। আসলে নরেন্দ্র মোদী ফার্স্ট পলিসি দ্বারা এই প্রথম ঝটকা চীনকে দিয়েছে। পাইপলাইন প্রজেক্ট ভারতীয় কোম্পানিগুলিকে প্ৰাথমিকতা দেওয়া হয়েছে। ৩০০০ কোটি টাকার পাইপ লাইন প্রজেক্ট থেকে চীন কোম্পানিগুলিকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

৩০০০ কোটি টাকার প্রথম ঝটকা ভারত চীনকে দিয়ে দিয়েছে। বিগত দশকগুলিতে কংগ্রেসের ভুল নীতির জন্য চীন ভারতের থেকে অনেক এগিয়ে গেছে। পাক ী মামলা হোক বা NSG এর মামলা, সবক্ষেত্রেই চীন আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের বিরোধিতা করে। কিন্তু এবার সময় পরিবর্তন হতে শুরু করেছে। ভারতে শক্তিশালী সরকার আসে জন্য ভারতকে লুটে নেওয়ার দিন শেষ হয়েছে। মোদীর ইন্ডিয়া ফার্স্ট পলিসি ও মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পের জন্য ভারতের কোম্পানিগুলো ব্যাপক পরিমানে লাভবান হবে।

এই নীতির জন্য ভারতের স্টীল কোম্পানির বহু অর্থ আর চীনের হাতে দিতে হবে না। স্টীল ও পাওয়ার সেক্টর ছাড়াও অন্য ক্ষেত্রেও চীনকে ঝটকা দেবে মোদী সরকার। যদিও সমস্থকিছু এত সহজ ব্যাপারও নয়। কারণ কংগ্রেস তাদের সময়কালে বহু ভুল ভাল সন্ধি ও নীতি করে রেখেছে যার ফল এখনো ভারতবাসীকে ভুগতে হচ্ছে। যার জন্য মোদী সরকার আন্তর্জাতিক সন্ধিগুলোকে উলঙ্ঘন না করেই ভারতের কোম্পানিগুলোকে প্রাথমিকতা দেওয়ার রাস্তা বের করছে।

বলা হচ্ছে মোদী সরকার সিধান্ত নিয়েছে যে ৫০ হাজার কোটির বেশি অর্থের টেন্ডারের ক্ষেত্রে ভারতের কোম্পানিগুলোকে প্রাথমিকতা দেওয়া হবে। অর্থাৎ এখান থেকে চীনকে সাফ করার প্ল্যান করে নিয়েছে মোদী সরকার। এই সকল ক্ষেত্রে ভারতের কোম্পানিগুলোকে গুণগত মাত্রার শর্ত পূরণ করতে হবে। যদি কোন ভারতীয় কোম্পানি দেশে প্ল্যান্ট করতে চাই সেই কোম্পানিকে স্বাগত জানানো হবে। যেমন যেমন ভারত থেকে চীনের কোম্পানিগুলোর সাফাই শুরু হবে তেমন তেমন চীন আকাশে উড়া চীন নিচে পড়তে শুরু করবে।

কাশ্মীর ইস্যু ততদিন সমাধান করা কঠিন হবে যতদিন চীন, ের সমর্থন করতে থাকবে। তাই এখন পাকিস্থানকে ঝটকা দেওয়ার থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ন হয়ে উঠেছে চীনকে বড়ো ধাক্কা দেওয়া। চীনকে আকাশ থেকে মাটিতে নামতে পারলে পাকিস্থানের অর্থব্যাবস্থা নিজে নিজেই ভেঙে পড়বে এবং ভারত পাকিস্থানের সাথে না লড়াই করেই যুদ্ধে জয়ী হবে।প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, মোদী আমলে ভারত লাগাতর চীনকে কূটনৈতিকভাবে হারাতে শুরু করেছে।আগে ভারত ৮০% বাইরের দেশ থেকে আমদানি করতো কিন্তু বর্তমানে ভারত মোবাইল উৎপাদনে ২ য় স্থান অধিকার করেছে। কয়েক সপ্তাহ আগে ভারত জিডিপির দিক থেকে চীনকে পেছনে ফেলে দিয়েছে। এমনকি চীন মালদ্বীপে তাদের সমর্থিত নির্বাচন করানোর জন্য নানা কূটনৈতিক বুদ্ধি লাগিয়েছিল। কিন্তু মোদী ভারতে গুপ্তচর এজেন্সিকে মালদ্বীপে নামিয়ে এমভাবে কাজ করে যাতে নিরপেক্ষভাবে হয় এবং জয় হয় ভারত সমর্থিত রাষ্ট্রপতির।