Press "Enter" to skip to content

দুর্দান্ত পদক্ষেপ! অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা মুসলিমদের ফেরত পাঠানোর কাজ শুরু করলো মোদী সরকার।

কংগ্রেস ও বামপন্থীরা মিলে মুসলিম তুষ্টিকরনের জন্য , ধর্মনিরপেক্ষতার আড়ালে দেশে ও অবৈধ বাংলাদেশিদের ঢুকিয়ে রেখেছিল। এখন কংগ্রেসের সেই মারাত্মক ভুলকে সঠিক করার পথে নরেন্দ্র মোদী। আজ একটা বড়ো খবর দেশের সামনে আসছে। মায়ানমার থেকে আসা অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের ডিপোর্ট করতে শুরু করে দিয়েছে শেষমেষ ডিপোর্টের কাজ শুরু করে দিয়েছে। সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী কিছু রোহিঙ্গাকে(৭ জন) ডিপোর্ট করার জন্য বর্ডারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বর্তমানে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী কিছু রোহিঙ্গাদের মায়ানমার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এবার মায়ানমার রোহিঙ্গাদের সাথে যা ইচ্ছা করুক, কিন্তু মোদী সরকার ভারতে এই রোহিঙ্গাদের রাখবে না। সূত্রের খবর মোদী সরকার এবার বড়ো মাত্রায় রোহিঙ্গাদের ডিপোর্ট করা শুরু করবে।

ভারতে প্রায় ৬ লক্ষের মতো রোহিঙ্গা ঢুকে রয়েছে। কংগ্রেস বহুদিন থেকে দেশে রোহিঙ্গা ঢুকিয়েছে। ২০১২ ও ২০১৩ সালে রোহিঙ্গা সবথেকে বেশি হারে দেশে প্রবেশ করেছে। হিন্দু বহুল জম্মুকে সম্পূর্নভাবে ইসলামিকরণ করার জন্য কংগ্রেস রোহিঙ্গা।মুসলিমদের এনে জম্মুতে বসিয়েছিল। ২০১৪ সালে মোদী সরকার আসার পর  রাজ্যগুলিতে রোহিঙ্গা প্রবেশ আটকানোর জন্য পদক্ষেপ নেয়, অবশ্য কিছু রাজ্যে, রাজ্য সরকারের জন্য  রোহিঙ্গা প্রবেশ হয়েছে ।

তবে বর্তমানে রোহিঙ্গা প্রবেশ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করেদিয়েছে মোদী সরকার  এবং এখন রোহিঙ্গা ডিপোর্টের কাজ শুরু করে দিয়েছে  কেন্দ্র। একটা বিষয় পরিষ্কার যে মোদী সরকারের এই পদক্ষেপের সম্পর্কে আগে থেকে গন্ধ পেয়েছিল। যার জন্য কিছুদিন আগে রোহিঙ্গারা বিভিন্ন ট্রেন ধরে কেরালা যাচ্ছিল।  যেহেতু কেরালায় বামপন্থী সরকার রয়েছে তাই সেখানে রোহিঙ্গাদের জালি প্রমানপত্র দিয়ে লুকিয়ে রাখা খুব সহজ হবে।

রোহিঙ্গা মুসলিম

একই সাথে কেরালায় দেশদ্রোহী শক্তিগুলি রোহিঙ্গাদের সমর্থনে মিছিল বের করেছিল। তথাকথিত মানবাধিকার কমিশন গুলির সাথে বামপন্থীরা মিলে মোদীর বিরুদ্ধে মোর্চা খুলে দিয়েছে। আরেকটা বিষয় পরিষ্কার যে দেশের জন্য যদি কোনো সরকার কাজ করে তাহলে সেটা একমাত্র বিজেপি করবে যারা দেশবাসীর জন্য রোহিঙ্গা ডিপোর্টের কাজে লেগে পড়েছে। অন্যদিকে ওই কাজে বাধা দেওয়ার জন্য কথিত মানবাধিকার কমিশন সংগঠ গুলি এক্টিভ হয়ে পড়েছে। তবে কাল আদালত, প্রশান্ত ভূষণের পিটিশন(রোহিঙ্গাদের পক্ষে পিটিশন) খারিজ করে  দিয়ে সাফ করে দিয়েছে যে দেশে শুধু আইন কানুন চলবে।