Press "Enter" to skip to content

ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হবে মুম্বাইতে স্থিত মহম্মদ আলী জিন্নার বাংলো! মোদী সরকারের পদক্ষেপে রেগে লাল কট্টরপন্থীরা।

গদ্দার-এ-হিন্দ জওহরলাল নেহেরু ও মহোনদাস গান্ধীর প্রিয় মিত্র আতঙ্কবাদী মহম্মদ আলী জিন্নার স্থিত বাড়িকে ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। ১৯৩৬ সালে ইসলামিক আতঙ্কি মহম্মদ মালাবার হিলের আড়াই একর জমিতে বাংলো বানিয়েছিল। এই বাংলোতে বড়ো ইমারতের সাথে সাথে গার্ডেনও রয়েছে। এই বাংলো বহু সময় ধরে বন্ধ পরে রয়েছে তথা কোনো কাজের অবস্থায় নেই। ইসলামিক আতঙ্কি মহম্মদ জিন্না ভারতের টুকরো করে পাকিস্থানে চলে গেছিল। এরপর থেকে বাংলো ওই অবস্থাতেই রয়েছে। কোনো সেকুলার সরকার বাংলো ভাঙা তো দূর, বাংলোতে হাত দেওয়ার সাহস করেনি।

এমনকি দেশের বামপন্থী, তথাকথিত সেকুলারপন্থীরা বাংলো ভেঙে স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, শৌচালয় গড়ে তোলার কথা বলেনি। রাষ্ট্রবাদীরা বহু সময় ধরে ওই বাংলো গুড়িয়ে দেওয়ার কথা তুলেছে। আলী জিন্নাহ এর বাংলো মুম্বাই এর খুব দামি এলাকায় রয়েছে, এমনিতেই মুম্বাইয়ে জমি কম, জনসংখ্যা বেশি। তাই বাংলো ভেঙে দিলে জমি অনেকভাবে কাজে লাগানো যেতে পারে। এখন মোদী সরকার, ইসলামিক আতঙ্কি জিন্না এর বাংলো গুড়িয়ে সেখানে কালচারাল হাউস তৈরি করতে চলেছে।

কালচারাল হাউস তৈরি করার পক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। সর্বপ্রথম আইনি পদ্ধতিতে জমি অধিগ্রহণ করা হবে এবং তারপর সেখানেও বাংলো ভেঙে সরকার নির্মাণ কাজ শুরু করবে। মোদী সরকারের এই পদক্ষেপকে অনেকে যোগী স্টাইল বলেও গণ্য করছে, কারণ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যানাথ ঠিক এইভাবেই অবৈধ ইমারত ভেঙে গুড়িয়ে দেন। দিল্লীতে কোনো বিদেশী অতিথি এলে তাকে হায়দ্রাবাদ হাউসে নিয়ে যাওয়া হয়।

একই ভাবে মুম্বাইতে জিন্না বাংলো ভেঙে একটা স্থান সরকার তৈরি করতে চলেছে যেখানে মুম্বাই আগত বিশেষ অতিথিদের আনা হবে। মোদী সরকারের এই কাজ স্বাগত জানানোর মতো, এবার আড়াই একর জমির উপর থেকে আতঙ্কবাদী জিন্নার চিন্হ মুছে ফেলা হবে এবং এই জমি দেশের কাজে আসবে। জানিয়ে দি, সরকারের এই কাজের ঘোষণা হওয়ার পর থেকে কট্টরপন্থী পাকিস্থান প্রেমীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় বিরোধ পদর্শন শুরু করে দিয়েছে। এমনকি কট্টরপন্থীরা বৃহত্তর আন্দোলন করার হুমকিও দিয়ে দিয়েছে।

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.