Press "Enter" to skip to content

কেন্দ্র সরকারের বড়ো সিধান্ত! শিখ সম্প্রদায়কে বড়ো উপহার দিতে চলেছে নরেন্দ্র মোদীর সরকার।

দেশের কেন্দ্রে যেদিন থেকে বিজেপি সরকার এসেছে সেইদিন থেকে দেশের সকল ধর্মের, সকল ভাষার, সকল জাতির কথা ভেবে কিছু না কিছু করছেন। সেই লক্ষ্যে এবার মোদী সরকার আরও একধাপ এগিয়ে গেল। এবার দেশের শিখধর্ম অবলম্বনকারী জন্য মোদী সরকার নিয়ে এল এক সুখবর। তথ্য অনুসারে জানা গিয়েছে যে, এবার কেন্দ্র সরকার একটি বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, শিখধর্মের মানুষজনদের সুবিধার জন্য কার্তরপুরের করিডোরটি করা হবে। এই দিন অর্থমন্ত্রী একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে জানান “গুরু নবাব দেবজি নিজের জীবনকলের ১৮ বছর এইস্থানে কাটিয়েছেন তাই এই স্থানে এই করিডোটি করা হবে।” তিনি এই দিন আরও তথ্য জানিয়েছেন, যেস্থানে এটি করা হবে তার কিছুদূরে রয়েছে অন্যদেশের বর্ডার। তাই এই করিডোরটি করা হলে পূর্নাথীরা খুব সহজেই এই করিডোরটির উপর থেকে দর্শন করতে পারবেন।

অরুন জেটলি এইদিন আরও বিস্তারিত ভাবে জানিয়েছেন যে, মন্ত্রী সভায় বৈঠক করে এই সিদ্বান্তে স্থির হয়েছেন যে, গুরু নানকের দর্শনের জন্য একটি আন্তর্জাতিক সীমান্ত করা হবে কার্তরপুর করিডোর থেকে গুরুদাসপুর পর্যন্ত। যেমন কোনো বড় ধার্মিক স্থান করা হয় সেইরকম আদলেই করা হবে এই বিখ্যাত করিডোরটি। আর এর জন্য যে খরচ হবে তার পুরোটাই বহন করবেন কেন্দ্রীয় সরকার।

এর পাশাপাশি এইদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং আরও এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন, তিনি বলেছেন যে, এটা ভারতের এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। তিনি কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের কথা অনুযায়ী বলেন যে, এই করিডোরটি এখন করা হচ্ছে আর এর উন্নয়ন আরও ভালো করা হবে সেই জন্য কেন্দ্র ইতিমধ্যেই অনেক অনুমোদমের সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছেন। এই মন্দির নিয়ে একটু সমস্যা দেখা দেয় যখন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান পাঞ্জাবের মন্ত্রী নবজিৎ সিং সিধু কে বলেন যে, এই স্থানটি তাদের বর্ডারে তাই পাকিস্তান চাইলে যেকোনো সময় এইখানে কিছু করতে পারে।

আর এই কথা জানার পরই কেন্দ্র সরকার সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন যে, পাকিস্তান যাতে শিখধর্মের মানুষজনের কিছু ক্ষতি করতে না পারে এবং তাদের এই দীর্ঘ দিনের মন্দির যাতে অক্ষত থাকে সেই জন‍্যই তাড়াতাড়ি এই করিডোর করার সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন কেন্দ্র সরকার। শিক্ষধর্মগুরুরা জানিয়েছেন এরফলে আমাদের যেভয় ছিল সেটা অনেকটা কমে গেল, ধন্যবাদ মোদী সরকার।
#অগ্নিপুত্র