Press "Enter" to skip to content

মোদী সরকারের এই কূটনৈতিক পদক্ষেপে চরম সমস্যায় পড়লো পাকিস্থান ও চীন।

দীর্ঘ দিনের অপেক্ষার পর এবার সেই প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে। মোদী সরকারের কূটনৈতিক পদক্ষেপের লাভ পাবে । এবার পেতে চলেছে চাবাহার বন্দরের নিয়ন্ত্রণ আর সেটা আগামী একমাসের মধ্যেই। ের সড়ক এবং গ্রামোন্নয়ন দফতরের তরফে তাদের মন্ত্রী আব্বাস আহমেদ আখুয়োন্দি শুক্রবার এমন খবরই দিয়েছেন। তিনি এই দিন বলেন যে, আমাদের সংস্থার বন্দর নির্মাণের কাজ প্রায় শেষের দিকে। আমরা আসা করছি যে, ীয় কর্তৃপক্ষের হাতে একমাসের মধ্যেই সমস্তরকম পরিচালন ভার তুলে দিতে পারবো। মোদী সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে যে সুবিধা পাবে-

  1. সবথেকে বড়ো লাভ এটাই হবে যে ভারত পাকিস্থানকে বাইপাস করে সরাসরি পর্যন্ত নিজেরদের দ্রব পাঠাতে পারবে। ের মধ্যে দিয়ে ভারত  সেন্ট্রাল এশিয়া ও রুশের ভূমি পর্য্যন্ত পৌঁছাতে পারবে।
  2. সৈন্য মজবুত করে আরব সাগরে নিজেরদের গতিবিধি বাড়াচ্ছে। এখন ভারত আরব সাগর ও গুয়াদার বন্দরে ের জবাব দিতে সক্ষম হবে।
  3. ইরান থেকে যে কাঁচা তেল ভারতে আসে তার খরচ অনেকটা কমে যাবে। যাতে ভারত আরো বেশি পরিমাণে তেল ক্রয় করতে পারবে। তেলের পরিবর্তে ভারত ইরানকে কৃষিজ দ্রব ও ইঞ্জিনিয়ারিং সেবা উপলব্ধি করাতে পারবে।
  4. ইরানের রাস্তায় আফগানিস্থান পৌঁছানোর ফলে ভারত জারঙ দিলারাম রোড ব্যাবহার করতে পারবে। ২০০৯ সালে ভারত আফগানিস্থানের গারল্যান্ড হাইওয়ে পৌঁছানোর জন্য এই রাস্তার নির্মাণ করেছিল। এটা আফগানিস্থানের , বড়ো শহর কাবুল, কান্দাহার, মাজেইর শরীফ পর্যন্ত সম্পর্ক উপলদ্ধি করায়।
  5. এই পোর্ট এর সঞ্চালন ভারত করবে যার কারণে দুই দেশের সম্পর্কে মজবুতি আসবে। এতে দুই দেশের বাণিজ্যিক ও সামরিক  সম্পর্ক আরো ভালো হবে। আফগানিস্থান থাকা েট তালিবানি গ্রুপের উপর দুই দেশ কোয়ে দশক থেকেই একত্রে মোকাবিলা করার সিধান্ত নিয়েছে। এখন সেই কাজে আরো ভালোভাবে নামতে পারবে দুই দেশ।

মন্ত্রী আব্বাস আহমেদ আখুয়োন্দি জানিয়েছেন যে, ভারতীয় খরচে ইরানের মাটিতে বন্দর নির্মাণের কাজ ইতিমধ্যেই শেষের দিকে।মন্ত্রী বলেন যে আর মাত্র কিছু দিনের অপেক্ষা। তারপরই এই বন্দর সম্পূর্ণভাবে তুলে দেওয়া হবে ভারতের হাতে। ইতিমধ্যেই সেই বন্দরে স্বাভাবিক কাজকর্ম শুরু হয়ে গিয়েছে। কিছু দিন ভালোভাবে দেখাশোনা করার পরই সেই বন্দর ভারত পেয়ে যাবে।
ভারতীয় মন্ত্রীমন্ডল মনে করছেন যে, ২০১৯ সালের মধ্যেই চাবাহার বন্দর চালু হয়ে যাবে। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের এক আধিকারিক জুন মাসে সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনটাই জানিয়েছিলেন।

ভারত-ইরান ও আফগানিস্তান ২০১৬ সালে এই বন্দর নির্মাণের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। তারা ওমান উপসাগরের উপর বন্দর তৈরি করার কথা ভাবেন। সেই জন্য ভারত সরকার একটা বিরাট পরিমান অর্থ সেখানে লগ্নি করেন। চাবাহার বন্দরটি ব্যাবহার করা ভারতের কাছে ও মধ্য এশিয়া ও আফগানিস্তানের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে কারন এই বন্দর থেকে ঠিক ৭২ কি.মি দূরে চীন গদর বন্দর নির্মাণ করছে পাকিস্তানে।
এতদিন ভারত যদি ইরানের সাথে কোনোরকম বাণিজ্য করতে চাইত তাহলে সেটা পাকিস্তানের মধ্যে দিয়েই করতে হত। যাতে পাকিস্তান সরকার ভারতের সেই কাজে বারবার বাঁধা সৃস্টি করত। তাই ভারত ও ইরান যৌথ ভাবে এই বন্দর নির্মাণ করে নিল। এর ফলে এবার থেকে পাকিস্তানকে বাইপাস করেই ভারত ও ইরান তাদের বাণিজ্যচক্র চালাবে। এতে পাকিস্তান আর কোনোরকম হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।

গত বছর অক্টোবর মাসে এই বন্দর দিয়ে ভারত ও অফগানিস্তান কিছু জিনিসের আদানপ্রদান করেন। তাই এই বন্দর সম্পূর্ণ ভাবে চালু হলে তিন দেশেরই বেশ সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে সেই সাথে বাড়বে ঐক্য ও যোগাযোগ মাধ্যম।
ইরানের মন্ত্রী আব্বাস আহমেদ আখুয়োন্দি জানান যে ভারত ও ইরানের মধ্যে সুসম্পর্ক স্থাপন হয়েছে ভবিষ্যৎ এ সেটা আরও মজবুত হবে। তিনি এও বলেন যে কোনো তৃতীয় দেশ আমাদের মধ্যে গড়ে উঠা সম্পর্কে চিড় ধরাতে পারবে না।
#অগ্নিপুত্র