Press "Enter" to skip to content

ধারা ৩৭০ ও ৩৫(A) কে নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট থেকে আসছে বড়ো খবর। ফারুক আব্দুল্লা ,মেহবুবা মুফতির তীব্র ক্ষোপ প্রকাশ।

যা বিগত ৬০ বছর ধরে হয়নি তা এখন হচ্ছে। কাশ্মীরে সরকারের স্বচ্ছতা অভিযান চালু রয়েছে। এক দিকে বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের দেশদ্রোহী মামলায় জেলে ঢোকানো হচ্ছে অন্যদিকে সেনা আতঙ্কবাদীদের শেষ করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। কাশ্মীরে ধারা ৩৫A কে সরানোর জন্য আদালতে লড়াই চলছে। সরকার এবার কাশ্মীরে থাকা আলাদা সংবিধানকে শেষ করার ঐতিহাসিক প্রচেষ্টা শুরু করে দিয়েছে। কাশ্মীর ভারতের অভিন্ন অংশ। তাই এক দেশে দুই সংবিধান থাকতে পারে না তাই ের সংবিধানকে ভারতীয় সংবিধানের বিরুদ্ধে বলে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। জমমুকাশমীরের সংবিধান ভারতীয়দের প্রতি বৈষমমূলক বলে সরানোর দাবি উঠেছে। একই সাথে ভারতীয় সাংসদ থেকে অনুচ্ছেদ ৩৭০ এর অধিকার কেড়ে নেওয়া রাষ্ট্রপতি আদেশ ১৯৫৪ কেউ বাতিল করার দাবি উঠেছে।

পিটিশনে বলা হয়েছে যে কোর্ট ঘোষণা করুক, ভারতীয় সাংসদকে অনুচ্ছেদ ৩৬৮ এর অনুযায়ী কাশ্মীরকে বিশেষ অধিকার দেওয়া অনুচ্ছেদ ৩৭০ কে সংশোধন করার অধিকার আছে। এই পিটিশন আরো কেউ নয় বরং মালিগাঁও বোমা ব্লাস্টে কংগ্রেস সরকার দ্বারা ফাঁসানো মেজর রমেশ উপাধ্যায় সহ ৪ ব্যাক্তি উকিল হরিশংকর জৈনের মাধ্যমে দায়ের করিয়েছেন। পিটিশনে জম্মুকাশ্মীরের সংবিধানের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে বলা হয়েছে যে এটা নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি। রাজ্যের কোনো কানুন ভারতীয় সংবিধানের বিধানগুলিকে অবজ্ঞা করতে পারে না এবং ভারতীয়দের মৌলিক অধিকারের কোনো কিছু কমাতে পারে না।

পিটিশানে বলা হয়েছে, ৩৭০A অনুসারে জম্মুকাশ্মীরের নিবাসীদের এমন কিছু বিশেষ ক্ষমতা দিতে পারে না যার লাভ ভারতীয় নাগরিকরা পাবে না। জম্মুকাশ্মীরে রাষ্ট্রপতি আদেশ ১৯৫৪ এর কিছু বিষয় ভারতীয় সংবিধানের বিরোধী, এই বিষয়গুলিকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হোক। বলা হয়েছে ৩৭০ এর লাঘু অনিশ্চিত সময়ের জন্য ছিল না। এই একই কথা বিজেপি সাংসদ সুব্রামানিয়াম স্বামী বহুবার বলেছেন। স্বামী বলেন, ৩৭০ কিছু সময়ের জন্য ছিল কিন্তু কংগ্রেস সরকার তাদের বেকার নীতির মাধ্যমে জম্মুকাশ্মীরকে যুদ্ধক্ষেত্র পরিণত করে রেখেছে। কংগ্রেসে জন্য প্রত্যেক বছর আমাদের বহু সেনা শহীদ হচ্ছে। পাকিস্থান বলে আমরা কাশ্মীর ইস্যুর সমাধান চাই, কাশ্মীর ইস্যুর এবার সমাধান হবে কিন্তু পাকিস্থান যেমনটা চাই সেইভাবে নয় বরং মূল শিকড় কাশ্মীরের সংবিধানকে সরিয়ে।

জানিয়ে দি, জম্মু কাশ্মীরের সংবিধানের ধারা ৬,৭,৮,৯ ও ১০ ভারতীয়দের মৌলিক অধিকারকে খণ্ডন করে । ভারতের অন্য রাজ্যের কোনো ব্যক্তি জম্মুকাশ্মীরে সম্পত্তি কিনতে পারেন না, সেখানে নির্বাচনেও দাঁড়াতে পারেন না। অন্যদিকে জম্মুকাশ্মীরের লোকজন দেশের যে কোনো জায়গায় সম্পত্তি কিনতে পারে ও নির্বাচনে দাঁড়াতে পারে। পিটিশন দায়েরকারীরা জানিয়েছেন যে তারা জম্মুকাশ্মিরে সম্পত্তি কিনে বসবাস করতে চাইছে কিন্তু এখানের সংবিধান ও রাষ্ট্রপতি আদেশ ১৯৫৪ এর জন্য বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছেন। পিটিশনে জম্মুকাশ্মীরের ধারা ৬,৭,৮,৯,১০,৫০,৫১, ১৪০,১৪৪ ও ভারতীয় সংবিধানে জুড়ে দেওয়া ৩৫A ও ৩৬৮(২) কে অসাংবিধানিক ঘোষণা করার দাবি উঠেছে।