Press "Enter" to skip to content

চমকে গেলেন সকলে, যখন নরেন্দ্র মোদী রাত্রি বেলা পৌঁছে গেলেন রেল স্টেশনে। তারপর যা হলো…

দেশের ক্ষমতা নিজের হাতে নেওয়ার পর নরেন্দ্র দেশ হিতে একের পর এক বড়ো পদক্ষেপ নিয়েছেন। উনি দেশের প্রথম এমন প্রধানমন্ত্রী যিনি নিজের সুরক্ষার কথা না চিন্তা করে প্রটোকল ভেঙে বেরিয়ে পড়েন। উনি যখনই এইভাবে সফরে বা রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন তখন জনগণ উনাকে লক্ষ করে অবাক হন। অন্যদিকে যখন আধিকারিকদের কাছে এই খবর পৌঁছায় যে মোদীজি সুরক্ষা ছাড়াই কোথাও বেরিয়ে পড়েছেন তখন তাদের মধ্যে হৈচৈ সৃষ্টি হয়। অটল বিহারী বাজপেয়ীজির স্বর্গবাসের আগে উনি যখন দিল্লির AIMS হসপিটালে ভর্তি ছিলেন তখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র সুরক্ষা ছাড়াই AIMS পৌঁছেছিলেন।১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন ছিল। সেই দিন উনি তার সংসদীয় ক্ষেত্র বারাণসীর গরিব বাচ্চাদের সাথে কাটানোর জন্য গিয়েছিলেন। এর মধ্যে বারাণসীতে এমন কিছু ঘটে যা দেখে উপস্থিত ভিড়ও স্তম্ভিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী মোদী হটাৎ বারাণসীর মান্ডবাদি রেলওয়ে স্টেশন পৌঁছে যান। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সেখানে পৌঁছে নিরীক্ষণ করেন। ভীড় প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ করে অবাক হয়ে লক্ষ করতে থাকে এবং পরে আনন্দ ব্যাক্ত করতে শুরু করে। সোমবার রাত ১০ টেয় প্রধানমন্ত্রী মোদীর গাড়ি স্টেশনে পৌঁছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীকে স্টেশনে দেখে আধিকারিক সহ অন্য লোক বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। PM মোদীকে দেখে জনগণ ‘মোদী মোদী’ স্লোগান তোলে, কেউ কেউ ‘হর হর মোদী’ তো বার কেউ ‘ফির একবার নরেন্দ্র মোদী’ বলে শ্লোগান দেয়।

ভিড় এমনভাবে উপচে পরে যে উপস্থিত পুলিশ কর্মীরা সামলে দিতে হিমশিম খেয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রী স্টেশনে আসার পরই শান্ত হয়ে থাকা পরিবেশ হটাৎ উৎসাহে ও শ্লোগানে ভোরে উঠে। প্রধানমন্ত্রী মোদীও উপস্থিত জনগণকে অভিবাদন করেন এবং সেখানে ১০ মিনিট ধরে উপস্থিত থেকে উন্নয়নের নিরীক্ষণ করেন এরপর উনি ডিজেল ইঞ্জিন রেল কারখানা অতিথি গৃহের দিকে চলে যান।

প্রধানমন্ত্রী স্টেশনে নির্বাচিত বিশেষ গাড়ির কাফিলা সহিত উপস্থিত হয়েছিলেন। স্টেশনে পৌঁছে উনি আধিকারিকদের কাছে থেকে নির্মাধীন বিকাশ কার্যের বাপরে খোঁজ নেন এবং জনগণকে অভিনন্দন জানান। যেহেতু প্রধানমন্ত্রীর নিজের সংসদীয় এলাকা তাই এই এলাকায় তিনি নিয়মিত নজর রাখেন এবং নিরীক্ষনের জন্য নিজেই পৌঁছে যান।