বিদেশ যাত্রায় ৩৫৫ কোটি ব্যায় করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশের জন্য যা এনেছেন জানলে গর্বিত হবেন।

২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস কে ভারতের রাজনীতি থেকে একেবারে মুছে দিয়ে দেশের জাতীয় ক্ষমতায় এসেছেন মোদী সরকার। তারপর থেকেই সকল ভারতবাসী দেখে আসছে প্রধানমন্ত্রীর একের পর এক দেশপ্রেমমূলক সিদ্ধান্ত। দেশের জনতা সত্যি খুবই ভাগ্যবান যে গান্ধী/নেহেরু পরিবারতন্ত্র শেষ করে এইরকম একজন মানুষ কে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে পেয়েছি এবং মোদীজির রাজত্ব দেখতে পেয়ে সত্যি আমরা ধন্য।

আরো পড়ুন – বড় খবর- নরেন্দ্র মোদীর মাস্টারস্ট্রোক! চীনের মুখ থেকে ৩০০ মিলিয়ন ডলার ছিনিয়ে নিলো ভারত।

মোদীজির দেশের জন্য কাজ করা এবং মোদীজির জনপ্রিয়তা দেখে বিরোধীরা নানান মিথ্যা কারন দেখিয়ে মোদীজির ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চাইছেন। কিন্তু তারা কিছুই খারাপ জিনিস খুঁজে পাচ্ছেন না মোদীজি কে নিয়ে সেই কারনে মোদীজির বিদেশ সফর নিয়ে বারবার খোঁচা দিচ্ছেন। এতে দেশের জন সাধারণ খুব একটা প্রভাবিত না হলেও কিছুটা প্রভাব পড়ছে তাদের মধ্যে।

কিন্তু আপনি দেশের একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসাবে যখন জানতে পারবেন প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের আসল সত্যতা তখন আপনি মোদীজির প্রশংসা না করে থাকতে পারবেন না। এবং আপনিও বলবেন যে, দেশের জন্য, দেশ কে উন্নতিশীল করার জন্য নরেন্দ্র মোদীর মত একজন দেশপ্রেমিক প্রধানমন্ত্রী বারবার চাই ভারতে।

আরো পড়ুন – বড় খবর- নরেন্দ্র মোদীর মাস্টারস্ট্রোক! চীনের মুখ থেকে ৩০০ মিলিয়ন ডলার ছিনিয়ে নিলো ভারত।

এই চার বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গিয়েছেন ৫২ টি দেশে। সেই সমস্ত দেশে তার যাত্রার সময়সীমা ছিল ১৬৫ দিন। আর এতে খরচের পরিমান ৩৫৫ কোটি টাকা এমনই তথ্য উঠে আসছে তথ্য জানান অধিকার আইনে। আপনি হয়তো দেশের অন্যান্য বিরোধীদের কথা শুনে কিছুটা হলেও এই ব্যাপার নিয়ে চিন্তিত, কিন্তু না চিন্তা করার কোনো কারনই নেই। আপনি একজন দায়িত্বশীল নাগরিক তাই আপনি অন্যের কথায় কান দেওয়ার আগে নিজের বুদ্ধি দিয়ে বিচার করুন সবকিছু। আপনি হয়তো ভাবছেন যে এত টাকা খরচ হয়ে গেল, দেশের ৩৫৫ কোটি টাকা বেরিয়ে গেল। হম! চিন্তা হবার কথা কিন্তু একই সাথে ভাবার বিষয় এই যে একজন প্রধানমন্ত্রী এত গুলো দেশের এত দিন থাকার পর কি এই টাকাটা খরচ হওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার নয়। আপনি হয়তো এটা ঠিক বুঝতে পারছেন যে, মোদীজির জায়গায় অন্য কোনো প্রধানমন্ত্রী থাকলে এর থেকে অনেক বেশি পরিমাণ অর্থ খরচ হয়ে যেত।

আরো পড়ুন – বেরিয়ে এলো আসল সত্য! ঠিক এইভাবেই বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছিল নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর সাথে।

প্রধানমন্ত্রী যে সমস্ত দেশগুলিতে বিদেশ সফরে গিয়েছিলেন সেই সমস্ত দেশগুলিতে কোনটিতে মোদীজি তার নিজের দরকারে বা ঘুরতে যাননি। গিয়েছিলেন দেশের প্রয়োজনে এবং দেশের স্বার্থে এটা এতদিনে ভারতবাসীর কাছে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। তিনি যে যে দেশে সফরে গিয়েছিলেন সেই প্রত্যেকটি দেশের সঙ্গে ভারতবর্ষের রাজনৈতিক এবং বৈদেশিক নীতি অত্যন্ত মজবুত করে এসেছেন এবং তিনি শীর্ষ দেশ গুলি থেকে ভারতবর্ষে অনেক আর্থিক লাভ নিয়ে এসেছেন। এই ৪ বছরে মোদীজি মোট ৫২ টি দেশে সফরে গিয়েছিলেন তার মধ্যে থেকে ৪১ দেশ থেকে ১৫ লক্ষ কোটি টাকা এফডিআই এসেছে ভারতের জন্য। শুধু মাত্র ১৫ লক্ষ কোটি টাকার এফডিআই আসেনি, সেই সমস্ত টাকা দেশের উন্নতির জন্য দেশের বিভিন্ন খাতে অর্থাৎ শিল্প ব্যবসা বাণিজ্যে খাটানো হচ্ছে এবং সেই টাকা ব্যবহার করে শিল্প ব্যবসা বাণিজ্যের চরম উন্নতির মুখ দেখছে। এর ফলে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মহাশয় এর কতটা কষ্ট, কতটা পরিশ্রম হচ্ছে সেটা হয়তো দেশের কোন জনগণ জানেন না। কিন্তু এই সমস্ত কাজ কর্মের ফলে দেশের বিকাশ হচ্ছে এবং জনগণের জন্য ভালো হচ্ছে সেই খবরটা ভালো হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মহাশয় জানেন।

আপনাদের জানিয়ে রাখি যে, মোদীজি তার বিদেশ যাত্রা করার জন্য রাতের সময় বেঁছে নিয়েছেন। কারন তিনি কাজে কোনোরকম ফাঁকি দিতে চান না মোদীজি। উনি দিনের বেলায় কাজ করেন এবং রাতের বেলায় যাত্রা করেন এবং সবচেয়ে অবাক করা ব্যাপার হল যে, বিদেশ সফরে থাকাকালীন মোদীজি ঠিক সময় বের করে প্রধানমন্ত্রী দপ্তরের সমস্ত কাজকর্ম করেন।

আরো পড়ুন – ” ধন্যবাদ হিন্দুত্ববাদকে, যার জন্য ভারতে আতঙ্কবাদ প্রবেশ করতে পারেনি” – চীন মিডিয়া।

মনে করা হচ্ছে যে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনেই দেশের সাধারন মানুষ সমস্ত বিরোধীদের মুখে ঝাঁমা ঘঁষে বুঝিয়ে দেবেন যে মোদীজি বিদেশ সফরে গিয়ে দেশের জন্য কতটা কি করেছেন। মোদীজির বিদেশ সফর নিয়ে বিরোধীরা যে মন্তব্য করেছেন সেটা শুনে অন্য দেশ গুলি অর্থাৎ যেসমস্ত দেশে মোদীজি সফর করেছেন সেই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা অত্যন্ত অবাক হয়েছেন। তারা এটা ভেবেই অবাক হচ্ছেন যে, কি করে মোদীজির এইরকম একটা কূটনৈতিক ব্যাপার নিয়ে বিরোধীরা রাজনীতি করতে পারছে।

মাত্র চার বছরেই মোদীজির বিদেশনীতির ফলে এত পরিমাণ টাকা ভারতে বিনিয়োগ করেছে বিশ্বের অন্যান্য দেশ। এরফলে বিরোধীরা নানান মন্তব্য করলেও সমিক্ষা বলছে যে, দেশের সাধারণ মানুষ খুব ভালো ভাবেই এটা মেনে নিয়েছেন। হ্যার দেশের মানুষ দেশের উন্নয়নের জন্য মোদীজির মতন প্রধানমন্ত্রীই চাইছেন।
#অগ্নিপুত্র

you're currently offline

Open

Close