Press "Enter" to skip to content

এবার নিউইয়র্ক এর অর্থশাস্ত্রী ২০১৯ নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপর করলেন বড়ো ভবিষ্যতবাণী।

কেন্দ্রে বিজেপি সরকার আসার পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফলতা নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। ক্ষমতায় আসা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ৪ বছরে বেশি সম্পুর্ন হয়েছে। উনার জনপ্রিয়তা এই বিষয় থেকেই আন্দাজ করা যায় যে প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পর বিজেপি দেশের অধিকতর রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে। আজ নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারত যে বিকাশের দিকে অগ্রসর হচ্ছে তাতে বোরো বড়ো শক্তিশালী দেশকে অর্থনীতির দিক থেকে পেছনে ফেলে দিয়েছে। কংগ্রেস আমলে যে দেশ নমিনাল জিডিপিতে ৯-১০ স্থানে উঠানামা করতো সেই ভারত আজ আমলে ৫ স্থান অধিকার করেছে। কিন্তু এখন দেশ আরো একবার ের প্রস্তুতি নিচ্ছে।আর এই অবস্থায় একটা বড়ো খবর সামনে আসছে। জানিয়ে দি, ২০১৯ ের জন্য যে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে তাতে সমস্থ রাজনৈতিক দল কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে। মোদী সরকারকে আটকানোর জন্য, যে বিরোধী দলগুলি একদিন একে অপরকে গালাগালি করতো তারাই আজ জোট বাঁধতে শুরু করেছে।

এ সত্ত্বেও মোদী সরকারের লোকপ্রিয়তা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। নির্বাচনের প্রস্তুতির মধ্যে আর্থিক বিশ্লেষক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তা নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন যে কিছুজনের প্রধানমন্ত্রী পদে বসার স্বপ্ন ভেঙ্গে দিতে পারে। নিউইয়র্কে থাকা অর্থশাস্ত্রী উনার আসন্ন বই ‘ডেমোক্রেসি অন রোড’ এর জন্য গবেষণা করছেন। উনি বলেন ২০১৯ এ প্রধানমন্ত্রী পদে নরেন্দ্র মোদীর ফিরে আসার পুরোপুরি সম্ভাবনা রয়েছে। ২০১৭ সালে বিজেপি জেতার এই সম্ভাবনা ৯৯% ছিল।

এখন পার্সেন্টে কিছুটা কমতি এসেছে কারণ বিরোধীরা এক হয়ে কাজ করছে এবং টার্গেট হিসেবে মোদীকেই রেখেছে। সমগ্র বিরোধীরা এক হয়েও বিজেপি ও প্রধানমন্ত্রীর দুর্গকে হেলাতে পারছে না এটার থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর লোকপ্রিয়তা আপনি নিজেই আন্দাজ করতে পারবেন। উল্লেখ্য, রুচির শর্মা বলেছেন ২০১৪ নির্বাচনের তুলনায় আরো আকর্ষণীয় হতে চলেছে। এর কারণ একদিকে থাকবেন বিরোধী দলের মূখ্য রাহুল গান্ধী যিনি প্রত্যেক নির্বাচনে হারের সম্মুখীন হয় ওয়ার্ল্ড রেকর্ড তৈরি করেছেন।

অন্যদিকে থাকবে যার হাত ধরে বিজেপি বর্তমানে বিশ্বের সবথেকে বড় রাজনৈতিক পার্টিতে পরিণত হয়েছে।রুচির শর্মার লেখা বই ২০১৯ এর আগে বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে , উনার লেখা বই থেকে নির্বাচন সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তু আপনি জানতে পারবেন। রুচির শর্মা এটা নিশ্চিত করেছেন যে সমস্থ দল এক হওয়ার পরেও মোদীর নেতৃত্বে থাকা বিজেপি পার্টির ভোটব্যাঙ্কের উপর তেমনকোনো প্রভাব পড়বে না। জানিয়ে দি রুচির শর্মার কাছে দু ডজনের বেশি নির্বাচন কভার করার অভিজ্ঞতা রয়েছে।