Press "Enter" to skip to content

এক বার নয়, বার বার প্রধানমন্ত্রী করা উচিত নরেন্দ্র মোদীকে! এর দারুন যুক্তি দিলেন ব্রিটিশ লেখক।

বর্তমান সময়ে ভারতবর্ষ সব দিক দিয়ে উন্নতি লাভ করছে এর ফলে বর্তমান যুগের শ্রেষ্ঠ রাজনীতিবিদ হিসাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজির নাম উঠে আসছে। কারন তার অসাধারণ কর্মদক্ষতার কারনের ভারতের আজ এই উন্নয়ন। তাই এই বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ অর্থাৎ কে নিয়ে অনেকেই অনেক কিছু লিখেছেন। অনেকে লিখেছেন বই। ঠিক তেমনি অ্যান্ডি মারিনোর লেখা গ্রন্থ থেকে এক সুন্দর বিশ্লেষণ পাওয়া গেল মোদীজির সম্পর্কে। আর সেই লেখার মূল মন্তব্য আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরবো।

প্রথমেই জানিয়ে রাখি, অ্যান্ডি মারিনো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদী কে নিয়ে তার রাজনৈতিক জীবন নিয়ে ”Narendra ; A Political Biography” নামে একটি গ্রন্থ লিখেন। এই অ্যান্ডি মারিনো হল ব্রিটিশ লেখক। তিনি এই বইটিতে মোদিজির কাজের খুব সুন্দর বিশ্লেষণ করেন। এবং সেই বই-এ মোদিজির নানান পারদর্শিতার কথা এত সুন্দর করে তার লেখার মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন, যে এই বইটি যিনি একবার পড়বেন তিনি মোদীকে ভারতের শ্রেষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী বলতে বাধ্য হবেন। এবং মোদীজিকেই তিনি দ্বিতীয়বার  ও তৃতীয় বার প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চাইবেন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কতগুলি বিশেষ গুন এখানে সুন্দর ভাবে বর্ণনা করা হলো:-

১)কঠোর পরিশ্রমীঃ–
একজন অত্যন্ত পরিশ্রমী মানুষ হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজি। তিনি সাধারণ মানুষের জন্য সব সময় কাজ করে চলেছেন। দেশের সাধারণ মানুষের জন্যই তিনি চিন্তাভাবনা করেন প্রতিটি মিনিট। তিনি তার ৪৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনে রাজনৈতিক কর্মী হিসাবে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমান করেছেন। কখন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে আবার কখন দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে। তিনি নিজে অত্যন্ত পরিশ্রম করেন দেশের উন্নয়নের জন্য, তিনি ১৮ ঘন্টা কাজ করেন এবং মাত্র ৪ ঘন্টা ঘুমান। সেই সাথে তিনি দলের প্রত্যেক কর্মীদের বলেন যে, দেশের হয়ে কাজ কর। নিজের পরিবারের মত দেশ কে ভালোবাসো। এবং সবচেয়ে বিশ্বয়কর কথা হল এত দিনের রাজনৈতিক জীবনে উনার বিরুদ্ধে কোনোরূপ দুর্নিতির অভিযোগ নেই।

২) সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা:
প্রধানমন্ত্রীকে অন্য নেতাদের থেকে আলাদা করে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার পিছনে তার সাহসিকতা। এই সাহসিকতার জন্যই তিনি বাকিদের থেকে অনেক আলাদা। তিনি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হন গুজরাট দাঙ্গার ঠিক পরেই। তখন সেই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে তিনি বেশ কিছু সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। মন্ত্রিসভায় কর্মীদের নিয়োগের ক্ষেত্রে তিনি কোনো পক্ষপাতিত্ব করেন নি। শুধুমাত্র যোগ্য কর্মীদের কেই নিয়োগ করেন।

৩) স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি :
দেশের উন্নতি করার দিক দিয়ে মোদীজির জুড়ি মেলা ভার। তিনি দেশের উন্নতির ব্যাপারে সঠিক কৌশল জানেন। এটির প্রমান আমরা আগেও পেয়েছি এবং বর্তমানেও পাচ্ছি। দেশকে উন্নয়নের শিখরে পৌঁছে দিতে তার নিখুঁত দৃষ্টিভঙ্গি খুব সাহায্য করবে।

৪) পরিচালনায় দক্ষতা:
মোদীজি যখন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হন তখন গুজরাটের অবস্থা ছিল অত্যন্ত খারাপ। গুজরাটকে চারিদিক থেকে ঘিরে ধরেছিল বেকারত্ব, দাঙ্গা সহ ইত্যাদি ইস্যু। কিন্তু মোদীজির কর্মদক্ষতাই গুজরাটকে এক সবল রাজ্য হিসাবে আত্মপ্রকাশ করতে সাহায্য করে। গুজরাটের জল, বিদ্যুৎ এর মতন সমস্যা দূর হয়। বিদেশ থেকে বিনিয়োগ আসতে শুরু করে ফলে বেকারত্ব সমস্যা দূর হয়ে যায়।

৫) উন্নয়নমূলক নীতি:
মোদীজির বিভিন্ন উন্নয়নমূলক নীতি যেমন জন ধন যোজনা, ডিজিটাল ইন্ডিয়া,সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প এইসব কিছুর মধ্যে দিয়ে দেশের চরম উন্নতি হচ্ছে। এছাড়াও সেনাবাহিনীর উন্নতির জন্য নতুন ও অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র কিনে তিনি এই মুহুতে ভারতীয় সেনাকে এক শক্তিশালী সেনা হিসাবে আত্মপ্রকাশ করিয়েছেন।

৬) মহান রাজনীতিবিদ:
মোদীজি যেভাবে তার কাজের মধ্যে দিয়ে দেশের মানুষের মন জয় করে নিচ্ছেন দিনের পর দিন। তাতে তার রাজনৈতিক বুদ্ধির চরম দক্ষতা প্রকাশ পায়।

মোদীজির ইত্যাদি নানান গুন, কাজ করার দক্ষতা, দেশের সাধারণ মানুষ-এর কথা ভাবা। এই সব কিছু তাকে এক উচ্চতর শিখরে পৌঁছে দিয়েছেন। যার ফলে দেশের মানুষ তাকে ফের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চান এমনকি তাকে তৃতীয় বারের জন্যও দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চাই। সবথেকে বড়ো ব্যাপার রাজনীতিতে অন্য নেতা নেত্রীরা নিজেদের ব্যাঙ্ক ব্যালান্স বৃদ্ধি করতে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়, কিন্তু তার বিপরীতে নিজের দেশের ব্যাঙ্ক ব্যালান্স বৃদ্ধির জন্য নিজেকে সমর্পিত করেছেন।

#অগ্নিপুত্র