Press "Enter" to skip to content

২০১৯ এ মোদী সরকার ক্ষমতায় আসবে কিনা সেটা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করলে এই রিপোর্ট অবশ্যই দেখা উচিত।

২০১৯ এ আরো একবার দেশে নির্বাচন হতে চলেছে আর সেই নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। ২০১৯ এ মোদী সরকার আবার ক্ষমতায় আসবে কিনা সেই নিয়ে তর্ক বিতর্ক শুরু হয়েছে দেশের সমস্ত প্রান্তে। এমনকি যারা রাজনীতি থেকে পাঁচ হাত দুরত্ব বজায় রেখে চলে তারাও পর্যন্ত চর্চায় নেমে পরেছে। এর কারণ এই প্রথম কোনো সরকার তোষণ নীতি ও নিজেদের অর্থভান্ডার বাড়ানোর থেকে মন সরিয়ে ‘সাবকা সাথ সাবকা বিকাশ’ নীতি নিয়ে দেশকে মজবুত করতে নেমে পড়েছে। কিন্তু ভারতবর্ষ এমন একটা দেশ যেখানে অনেক ছোটখাটো ও মিথ্যা ইস্যুতেও শাসন ক্ষমতা বদলে যায় উদাহরণ স্বরূপ অটল বিহারী বাজপেয়ীজির আমলে দেশ নতুন দিশা পেলেও জনগণকে ছোটখাটো মিথ্যা ইস্যু দেখিয়ে বিজেপিকে হারিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল কংগ্রেস।

 

আর এই কারণে মোদী সরকার দৃঢ় সংকল্পের সাথে কাজ করা সত্ত্বেও ক্ষমতায় আসবে কিনা সেই নিয়ে অনেকের মনে সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। তবে মোদী সরকার ক্ষমতায় ফিরে আসবে কিনা সেই নিয়ে সন্দেহ প্রকাশের আগে আপনাদের মোদী সরকারকে নিয়ে ব্লুমবার্গ এর রিপোর্ট জানা দরকার। ব্লুমবার্গ দাবি করেছে নরেন্দ্র মোদী ২০১৯ বা ২০২৪ নয় বরং ২০২৯ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী পদে থাকবেন। ব্লুমবার্গ নরেন্দ্র মোদী, চীনের রাষ্ট্রপতি সি জিনপিং, আমেরিকার রাষ্ট্রপটি ডোনাল্ট ট্রাম, রুশের রাষ্ট্রপতি লাদিমির পুতিন,নর্থ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি কিম জং উন এবং সৌদি আরবের কিং সহ প্রায় ১৬ দেশের নেতাদের রাজনৈতিক জীবনের উপর এই রিপোর্ট বের করেছে।

যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে জলবায়ু পরিবর্তন, আতঙ্কবাদ, গরিবি ও অনন্যা আন্তর্জাতিক স্তরের সমস্যার মোকাবিলা করার জন্য সবচেয়ে সক্ষম নেতার মান্যতা দেওয়া হয়েছে। রিপোর্টে এটাও বলা হয়েছে যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তা আগের থেকে অনেক বেড়েছে। দেশ দুনিয়ার জনগণের মধ্যে মোদীকে নিয়ে পজিটিভ চিন্তাভাবনা রয়েছে। শুধু এই নয় মোদী সরকারের বেশিরভাগ নীতি এবং যোজনা খুব প্রভাবশালী বলেও দাবি করা হয়েছে।

এছাড়াও রিপোর্টে বলা হয়েছে যে ভারতে এমন কোনো নেতা এখন নেই যিনি নরেন্দ্র মোদীকে টক্কর দিতে পারবেন। শুধু ব্লুমবার্গ এর রিপোর্ট নয় দেশের অভ্যন্তরের চ্যানেলগুলি যে সার্ভে বের করেছে তাতেও এটা নিশ্চিত হয়েছে যে ২০১৯ প্ৰধানমন্ত্রী পদে নরেন্দ্র মোদী বসবেন। আর এই কারণেই নরেন্দ্র মোদী ২০২৯ পর্যন্ত দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে থাকবেন বলে মনে করা হচ্ছে।