Press "Enter" to skip to content

পুরো বিশ্বকে অবাক করে ৮৭ বিলিয়ন ডলার নিয়ে কৃত্রিম নদী তৈরির কাজে নামতে চলেছে মোদী সরকার।

আরো একবার চমৎকার পরিকল্পনা নিয়ে ভারতকে পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে সরকার। বিশ্বের সবথেকে বড়ো কৃত্রিম নদীর নির্মাণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্র। সরকার দেশের বড়ো নদীগুলিকে জুড়ে দেওয়ার জন্য ৮৭ বিলিয়ন ডলারের প্রজেক্টের উপর কাজ শুরু করতে চলেছে। বিজ্ঞানীদের মতে এই প্রজেক্টের মূল উদেশ্য দেশকে বন্যা ও খরার মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে মুক্তি দেওয়া। ২০০২ সালে অটল বিহারী বাজপেয়ী দেশের নদীগুলিকে জুড়ে দেওয়ার পস্তাব রেখেছিল। এর উপর চর্চার জন্য অটল বিহারী বাজপেয়ী একটা কার্যালয় গঠন করেছিলেন। পরে কংগ্রেস সরকার আসার পর বিষয়টি লঘু হয়ে যায়। এখন সরকার আরো একবার এই বিষয়ে কাজ শুরু করতে চলেছে যোজনার প্রথম ফেজে মঞ্জুরি দিয়েছেন। পরিকল্পনা মাফিক সহ দেশের ৬০ টি নদীকে জুড়ে দেওয়া হবে।

সরকারের দাবি এই প্রকল্পের পর পরিবর্তনশীল পরিবেশের উপর কৃষকদের নির্ভরতা কমে যাবে এবং লক্ষ হেক্টর জমির উপর জলসেচ সম্ভব হবে। বিগত ২ বছর ধরে বর্ষার পরিবেশ খুব একটা ভালো ছিল না, ভারতের কিছু রাজ্যে সহ নেপাল ও বাংলাদেশ বন্যার দ্বারা বেশ প্রভাবিত হয়েছিল। সূত্রের খবর, নদীগুলিকে জুড়ে দিলে বহু হাজার মেগা ওয়াট বিদুৎ তৈরি সম্ভব হবে। প্রথম ফেজে মধ্যপ্রদেশ ও উত্তরপ্রদেশের কাজ শুরু হবে। একমাসের মধ্যেই পুরো পরিকল্পণা সহিত পরিবেশের উপর খেয়াল রেখে কাজ শুরু হবে।

২০০২ সালে অটল বিহারি বাজপেয়ী নদী জোড় প্রকল্পের উপর পস্তাব রেখেছিল এবং প্রথমে দক্ষিণ জুড়ে ১৬ কড়ির ব্রিজ তৈরি ও পরে উত্তর ভারতের নদীগুলিকে জুড়ে দেওয়ার জন্য কাজ শুরু করতে চেয়েছিল।কিন্তু ২০০৪ সালে শুধুমাত্র মূল্যবৃদ্ধির উপর কেন্দ্র করে জনগণ অটল বিহারীর সরকারকে হারিয়ে দেন যার জন্য এই প্রকল্প মিলিয়ে যায়। জানিয়ে দি মোদী সরকার বিশেষ করে ভবিষ্যতে দেশের জলের চাহিদা ও সঙ্কটকে নিয়ন্ত্রন রাখার জন্য এই প্রকল্পের উপর মনোনিবেশ করেছে।

বিজ্ঞানীদের মতে ২০৩০ অবধি ভারতে জলসঙ্কট বহু হারে বেড়ে যাবে, যদিও এই বিষয়ে কংগ্রেস সরকার কোনো পদক্ষপে নেয়নি। কিন্তু বর্তমানের মোদী সরকার এই বিষয়ে দারুণভাবে পরিকল্পনামাফিক কাজ করতে চলেছে। ৫.৫ লক্ষ কোটি টাকার এক বিশাল পরিমান অর্থ নিয়ে মোদী সরকার নামাতে চলেছে এই ভবিষৎপরিবর্তনশীল পরিকল্পনায়।