Press "Enter" to skip to content

ধর্ষনের শিক্ষা দিত মাদ্রাসার মৌলবী! তার ইশারাতেই কট্টরপন্থীরা লুটে নিলো বাচ্চা মেয়ের সন্মান।

এমনিতে ইসলামে মাদ্রাসাকে তালিমের পাক স্থল অর্থাৎ প্রশিক্ষনের পবিত্র স্থান বলে মানা হয়। ইসলামে এটাই প্রচারিত হয় যে, মাদ্রাসায় ছাত্র ছাত্রীদের সংস্কার শেখানো হয়। যাতে শিক্ষার্থীরা পরবর্তীতে মানবতার পথে চলতে পারে। এখন যদি তালিমের নামে, শিক্ষার নামে ছাত্র ছাত্রীদের জায়েজ শেখানো হয় এবং মাদ্রাসার শিক্ষকরায় এই শিক্ষা প্রদান করে তাহলে কি সেটা পাক তথা পবিত্র স্থানের তকমা বজায় রাখে? যে সমস্থ মাদ্রাসায় ধর্ষনের জন্য উস্কানি দেওয়া হয় সেখানের পবিত্র বজায় নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ হওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার। ঘটনা উত্তরপ্রদেশের হাতরাস অঞ্চলের যেখানে ৫ বছরের এক নিরীহ ছোটো মেয়ের উপর করা নৃশংস ঘটনায়, ের জন্য উস্কানি দেওয়া মহম্মদ ইয়াকুবকে গেপ্তার করা হয়েছে। এই মৌলবীর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে ইনি ধর্ষণের জন্য তালিম দিয়েছিলেন।

অর্থাৎ মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীদের উস্কানি দিতেন ধর্ষণ করার জন্য। পুলিশ এই মৌলবীকে গেপ্তার করেছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে। ৫ দিন আগে শাহদাবাদ এলাকার এক গ্রামে এক ব্যবসায়ীর ৫ বছরের কন্যার সাথে, ব্যাবসায়ীর ভাইয়ের ২ বছরের ছেলে এবং ৪ বছরের মেয়ে খেলা করছিল। সেই সময় মুসলিম সম্প্রদায়ের ৩ যুবক এসে তাদের উঠিয়ে নিয়ে যায়। এরপর বাচ্চাদের পরিজন বাচ্চাদের খুঁজতে খুঁজতে এক স্কুলের মাঠের পাশে তাদের সন্ধান পায় যেখানে হাতেনাতে কট্টরপন্থী যুবকরাও ধরা পড়ে।

মাঠের মধ্যে ৫ বছরের কন্যা বস্ত্রহীন ও রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। ঘটনা সামনে আসার পর এলাকায় সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এলাকার হিন্দু সমাজ যুবকদের সাজার দাবি করলেন পুলিশ তৎকাল কার্যবাহী শুরু করে। তদন্তে যুবকের জানায় যে ধর্ষণ করার জন্য মাদ্রাসার মৌলবী তাদের উস্কানি দেয়।

মাদ্রাসায় তালিমের নামে মৌলবী ছাত্রদের মধ্যে যৌন উদ্দীপনার সুড়সুড়ি দিত, এমন অভিযোগ সামনে আসার পর প্রশাসন মৌলবীকে গেপ্তার করেছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন ঘটনার উপর আক্রোশিত হয়ে রয়েছে এবং এলাকার বাজার ঘাট বন্ধ করে রেখেছে। পুলিশ আধিকারিক অনিল কুমার জানিয়েছেন মথুরা রোড থেকে মৌলবীকে গেপ্তার করে জেলে ঢোকানো হয়েছে। লক্ষণীয় বিষয় এই যে, ঘটনা খুবই চমকিত করার মতো হলেও দেশের মেইন স্ট্রিম মিডিয়া এই নিয়ে মুখে লাগাম লাগিয়ে রেখেছে।

6 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.