Press "Enter" to skip to content

গণেশ মুর্তি ভাঙার প্রতিবাদে আর্থিক বয়কট করায়, হিন্দুদের কাছে ক্ষমা চাইলো কট্টরপন্থীরা।

ঘটনা বেশি পুরানো নয়, আর আপনি যদি আমাদের পাঠক হয়ে থাকেন তাহলে আমরা আপনাদের এই খবর জানিয়েছিলাম যে তামিলনাড়ুর এক স্থানে গণেশ চতুর্থীর সময় কট্টরপন্থীরা গণেশ যাত্রার উপর আক্রমণ করেছিল। এই ঘটনা তামিলনাড়ুর তিরুনেলভেলিতে ঘটেছিল যেখানে সমাজ গণেশ চতুর্থীর সময় হিন্দুরা গণেশ যাত্রা নিয়ে যাচ্ছিল। যেই মাত্র হিন্দুরা গণেশ যাত্রা নিয়ে এক মসজিদের পাশ হয়ে যায় সেইমাত্র কট্টরপন্থীরা আক্রমণ শুরু করে দেয় এবং বহু গণেশভক্তকে মারধর করে।

মিডিয়া ধর্মনিরপেক্ষতার দোহাই দিয়ে ঘটনাটিকে এড়িয়ে যায়। কিন্তু দেশের দু একটা দায়িত্বশীল মিডিয়ার জন্য ঘটনাটি সবার সামনে চলে আসে। যদি তিরুনেলভেলির হিন্দুরা এটা সহ্য করে নিয়ে চুপ তাহলে আবার এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারতো। কারণ এটাই সেকুলার সামজের বড়ো ব্যাধি, হিন্দুদের উপর আক্রমণ হলে সমাজ ভুলে যায়। কিন্তু তিরুনেলভেলির হিন্দুরা কট্টরপন্থীদের শিক্ষা দেয়ার শপদ নিয়েছিল এবং ঠিক করেছিল যে সব হিন্দু কট্টরপন্থীদের আর্থিক বহিস্কার করবে।

হিন্দুরা জাতপাতের উপরে উঠে এক হয়ে কট্টরপন্থীদের দোকান থেকে জিনিসপত্র নেওয়া বন্ধ করে দেয় যার ফলে এখন কট্টরপন্থীরা সম্পুর্ন সোজা পথে চলে এসেছে। কট্টরপন্থীরা হিন্দুদের থেকে ক্ষমা চেয়ে ‘ক্ষমা রালি’ বের করেছে এবং ভাঙার জন্য ক্ষমা চেয়েছে। একই সাথে একতা ও ভাই ভাইয়ের শ্লোগান দিয়েছে।

যদি হিন্দুরা ঘটনাটিকে সহ্য করে নিয়ে চুপ করে যেত তাহলে পরে আবার কট্টরপন্থীরা এইরকম আক্রমণ করতো। কিন্তু হিন্দুরা একতা দেখিয়ে আর্থিক দিক থেকে বহিস্কার করে যার ফলে কট্টরপন্থীদের আর্থিক কোমর ভেঙে পড়ে। ফলস্বরূপ কট্টরপন্থীরা মানবতা, মনুষত্ববোধ, ভাতৃত্ববোধ এই সমস্থ কিছু নিয়ে র‌্যালি বের করে ক্ষমা চেয়ে নেয়।