Press "Enter" to skip to content

হিন্দু সেজে দুই যুবতীর জীবন নষ্ট করে দিল দানিস আলী! মামলা দায়েরের পর পুলিশ শুরু করলো তদন্ত।

এই খবরটি সেইসব মেয়েদের এবং প্রেমের কথিত ঠিকাদারদের অবশ্যই জানা উচিত যারা বলে কিছু হয়না। এক কট্টরপন্থী প্রথমে জান সুলজা হিসাবে এক যুবতীকে নিজের প্রেমের জালে ফাঁসায় এবং তারপর রাজ উপাধ্যায় হিসাবে অন্য এক হিন্দু যুবতীকে প্রেম জালে ফাঁসিয়ে ছিল। প্রেম জালে ফাঁসানো পর তাদের জীবনকে নষ্ট করে দেয়
কট্টরপন্থীর আসল পরিচয় জান সুলজা ছিল না, আর না রাজ উপাধ্যায়ও ছিল না। সে আসলে ছিল দানিস আলী নামে এক ব্যাক্তি।  দানিস হিন্দু যুবতীদের নিজের জালে ফাঁসাতো ও তাদের জীবন নষ্ট করে দিত।

ঘটনাটি ের ের যেখানে জাজমুক্ত নিবাসী মাল্টিন্যাশনাল ফার্মা কোম্পানি মার্কেটিং ম্যানেজার দানিস আলী ইনডোরে বিস্তৃতির সময় নিজেকে হিন্দু বলে দুজন যুবতীর জীবন নষ্ট করে দেয়। দানিস আলী প্রথমে একজন যুবতীর সঙ্গে বিয়ে করে ও পরে আরেক যুবতীর সাথে বিয়ে করে এবং তাদের শারীরিক শোষণ করে। দুজন পীড়িত যুবতীদের দ্বারা কানপুর এসএসপিকে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ দ্বারা ীকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

খবর অনুযায়ী, ২০০৯ সালে প্রথম হিন্দু যুবতীর আলাপ জাজমক্ত আহমেদ নগর নিবাসী এমআর দানিস আলীর সঙ্গে হয়েছিলো। তখন দানিস তার নাম জান সালুজা বলেছিল ও ধর্ম হিন্দু বলে দাবি করেছিল, তারপর বন্ধুত্ব হওয়ার পর সে তাকে কানপুর নিয়ে আসে আর সেখানের এক মন্দিরে বিয়ে করে। পরে জানাতে পারে যায় যে দানিস হিন্দু নয় মুসলিম ছিল। দানিস দুবার মেয়েটির গর্ভপাত করায়। পুলিশকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দানিস তার প্রথম শিকারকে তালাক দেওয়ার পর ইনডোরের এক হোটেলের ম্যানেজারের মেয়েকে তার প্রেমের জালে ফাঁসায়।

দ্বিতীয়, পীড়িত যুবতী জানিয়েছে, দানিশ তাকে নিজের নাম রাজ উপাধ্যায় বলে এবং তার বাসস্থান মুম্বাই বলেছিল। ২০১৫ সালে সে যখন বিয়ের প্রস্তাব রাখে যুবতীর পরিবারের লোকেরা রাজি হয়ে যায়। ২০১৬ সালে তাদের প্রবৃত্তি হয় আর তারপর দানিশ সেই যুবতীর সঙ্গে একটানা শারীরিক সম্পর্ক করতে থাকে। তারপর দীপাবলীর দিন যখন যুবতী কোনো কারণে দানিশের ব্যাগ চেক করছিলো তখন সে ব্যাগ থেকে দানিশ নামের আইডি পায় ও তখন তারা সত্যি জানতে পারে। দানিস তাদের বলেছিল সে আসলে মেরঠের বাসিন্দা এবং তার পিতা হিন্দু ও মা মুসলিম। ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সালে দানিস বলে আমি বিবাহিত ও মুসলিম  তাই বিয়ে করতে পারবো না । তারপর ে দুষ্কর্মের অভিযোগ দাখিল করানো হয়।

পুলিসের কাছে করা অভিযোগে যুবতীরা জানায় যে দানিশ তাদের জাকির নাইকের ভিডিও দেখতে ও তার সাথে বাগদাদীর ভিডিও দেখিয়েও তাদের মনে আতঙ্ক এর জন্ম দিয়েছিল। মুসলিম যুবক দানিশ এর উপর এই অভিযোগও আছে যে সে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করানোর জন্য চাপ দিত। দানিশের জিহাদি ্তাধারা এখানে শেষ হয়নি, দুই যুবতী জানিয়েছে দানিস আলী ইনডোরে আরো চার জন যুবতীদের প্রেম জালে ফাঁসিয়ে তাদের শারীরিক শোষণ করেছে এবং এই যুবতীরাও ইন্দোরে অভিযোগ দাখিল করবে।

পুলিশকে জানানো হয়েছে যে, দানিশ সেই যুবতীদের সাথে সমীর দুবে, ববি শর্মা, অনুপ দিক্ষিত ইত্যাদি নাম বলে মেলামেশা করেছিল। সেখানে এই পুরো মামলায় এসপি পূর্বি রাজকুমার আগারওয়াল জানিয়েছেন যে আরো একজন দানিস আলী নামক যুবকের বিরুদ্ধে যুবতী বিয়ে করা ও শোষণ করার অভিযোগ উঠিয়েছে। আগে থেকেই মামলা দায়ের করা আছে, যার বিবেচনা চলছে। মেয়েদের পরিজনদের হুমকি দেওয়ার জন্যও রিপোর্ট লেখা হয়েছে, যাচাই করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।