Press "Enter" to skip to content

অমৃতসর দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারের সাথে দেখা করতে গিয়ে নবজোত সিদ্ধু এমন কুকাজ করলেন , দেখলে আপনিও রেগে লাল হবেন।

সারা দেশবাসীর গা শিওরে উঠা ঘটনা অমৃতসরের রেল দুর্ঘটনা। দশেরার রাতে অর্থাৎ পশ্চিমবাংলায় যেদিন বিজয়াদশমী ছিল সেই দিন ঘটে যায় এই অভিশপ্ত দুর্ঘটনা। এই রেল দুর্ঘটনায় প্রান হারায় অনেক নিরীহ মানুষ। বহু মানুষ আহত হয়ে হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়াই করছে। ঘটনাটি কি করে হল সেই ব্যাপারে সঠিক কোনো খবর পাওয়া যায় নি, কিন্তু তদন্ত এখনও চলছে। সেই সাথে শুরু হয়ে গিয়েছে একে অপরের উপর দোষ চাপানো। ঘটনার সময় সেই স্থানে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস নেতা সিদ্ধুর স্ত্রী, কিন্তু তিনি এই ঘটনার খবর পেয়েই সেই স্থান থেকে পালিয়ে যান। সেই জন্য নিজের স্ত্রীর দোষ আড়াল করার জন্য মঙ্গলবার সিধু জানিয়েছেন যে, দুর্ঘটনায় যেসমস্ত শিশু অনাথ হয়ে গিয়েছে তাদের পাশে তিনি দাঁড়াবেন। তবে এটা যে নিছকই লোক দেখানো ছাড়া আর কিছু নয় সেটা আপনারা পরের ঘটনাটি পড়লেই জানতে পারবেন।

সিদ্ধু নিজেকে মহৎ দেখাবার জন্য অংশ নেন মোমবাতি মিছিলে, যেটা করা হয়েছিল নিহতদের উদ্দেশ্যে। সেখান থেকেই মূল বিতর্কের শুরু। তিনি সেই মিছিলে হাসি মুখে ঘুরেছিলেন এমনই এক ছবি হাতে আসে এক হিন্দি নিউজ চ্যানেলের কাছে। মুহুত্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায় সেই দুর্ভাগ্যজনক ভিডিও।

কংগ্রেস নেতা সিধু এবং সুনীল জাখড়ে যিনি পঞ্জাব কংগ্রেসের অধ্যক্ষ মিছিলে এই দুজন খোশমেজাজে গল্প করছিলেন এমনই এক ছবি পাওয়া গিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত এই ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। সিধু সেই মিছিলে এক শোকাহত মুহুত্তের জন্য অংশ নিয়েছিলেন কিন্তু তিনি সেটা ভুলে গিয়ে কিভাবে এমন হাসিমজা করতে পারেন সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিশিষ্ট মহলে। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের রাগ উগরে দিয়েছেন পাঞ্জাববাসী। আসলে ব্যাপারটা হল কংগ্রেস নেতামন্ত্রীরা পারেন না এমন কাজ খুব কমই আছে। দেশের বিভিন্ন অসামাজিক কাজে যদি নাম থাকে কোনো কংগ্রেস নেতার তাহলে সব কিছুই সম্ভব।

সোশ্যাল মিডিয়াতে অনেকেই চরম বিরোধিতা করে বলেছেন যে, ট্রেন দুর্ঘটনা নিয়ে সিধু মর্মাহত হবার বদলে রাজনীতি করছে। তিনি এমন ভাবে হেসে চলেছেন যেন কোনো কমিডি শো চলছে। এর উচিৎ জবাব মানুষ দেবে কংগ্রেস কে ২০১৯ সালে এমনটাই মনে করা হচ্ছে।
#অগ্নিপুত্র