Press "Enter" to skip to content

ফৈজাবাদের পর এবার পালা আগ্রার ! ইসলামিক নাম মুছে নতুন নাম রাখার প্রক্রিয়া চালু করলেন যোগী আদিত্যনাথ।

মুঘল সরাই, ইলাহাবাদ, ফৈজাবাদ এর নাম পরিবর্তনের পর এবার পরবর্তী সংখ্যা শহরের। একদিকে মহারাষ্ট্রের সরকার ঔরঙ্গবাদকে সম্ভাজিনগর করতে পারছে না, গুজরাটের সরকার আমেদাবাদকে কর্ণাবতী করতে পারছে না সেখানে যোগী আদিত্যানাথ একের পর এক নাম পরিবর্তন করে পুরানো গৌরব ফিরিয়ে আনছেন। এখানেই যোগী আদিত্যানাথ ও অন্যান্য বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীর সাথে অনেক বড়ো একটা পার্থক্য রয়েছে। এবার খুব শীঘ্রই শহর তার পুরানো নাম ও গৌরব ফিরে যাবে। যেখানের নাম পরিবর্তন করতে হয় সেখানের কোনো সমহুকে লিখিত দাবি রাজ্য সরকারের কাছে পাঠাতে হয়। এরপর একটা দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় মঞ্জুরি পাওয়ার পর নাম পরিবর্তন করে দেওয়া হয়। আগ্রার বিজেপি সাংসদ জগণ প্রসাদ যোগী সরকারকে চিঠি লিখেছে যেখানে আগ্রাকে করার দাবি রাখা হয়েছে। জানিয়ে দি, মুঘল আতঙ্কবাদীরা শাহাজানাবাদে আসার আগে আগ্রাকে রাজধানী বানিয়েছিল।

কিছু সময়ে আকবর আগ্রা থেকে শাসন চালাতো। তৎকালীন সময়ে আগ্রার নাম ছিল অগ্রবান। এরপর ইসলামিক আতঙ্কবাদী মুঘলরা অগ্রবানের নাম পরিবর্তন করে আকবরবাদ এবং তারও পরে আগ্রা করে দিয়েছিল। সাংসদ জগণ প্রসাদ মিডিয়ার কাছে জানিয়েছেন, “আমি যোগী সরকারকে চিঠি লিখে দিয়েছি এই ব্যাপারে আমি লখনউতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যানাথের সাথে বৈঠকে বসবো এবং শীঘ্রই শহর তার আসল নাম ফিরে পাবে।”

জগণ প্রসাদ বলেন আগ্রাতে ভগবান শিবের বিশালাকায় মন্দির ছিল এবং কিছু জৈন মন্দিরও ছিল যেগুলোকে ইসলামিক আতঙ্কবাদীর মসজিদ বানিয়ে দিয়েছে অথবা ধ্বংস করে দিয়েছে। এখন আপাতত শহর তার পুরানো নাম ফিরে পেলে খুশি হবো। জগণ প্রসাদ বলেন নাম ফিরে পাওয়ার পক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। গুজরাট ও মহারাষ্ট্রেও বিজেপির সরকার রয়েছে কিন্তু সেখানের সরকার ইসলামিক নাম পরিবর্তন করতে করতে হিমশিম খাচ্ছে।

অন্যদিকে যোগী সরকার খুব সহজে কাজ করে যাচ্ছে। কারণ অন্য রাজ্যের সরকার একটু হলেও ভোট ব্যাঙ্ক ও রাজনীতির উপর লক্ষ রেখে কাজ করছে। কিন্তু যোগী আদিত্যানাথ দেশের পুরানো গৌরব ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা করছেন। যোগী আদিত্যানাথ যখন সাংসদ ছিলেন তখনও নিজের ক্ষমতার সঠিক ব্যবহার করে অনেক স্থানের ইসলামিক নাম মুছে দিয়েছিলেন।আসলে যোগী আদিত্যানাথকে যতটাই ক্ষমতা দেওয়া হোক না কেন সেটা উনার জন্য কম মনে হবে।