Press "Enter" to skip to content

আবারও নরেন্দ্র মোদীর কূটনীতির জয়জয়কার! সুপরিকল্পিতভাবে চীনকে আছড়ে দিলো মোদী সরকার।

আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে প্রধানমন্ত্রী মোদী কতটা দক্ষ তার প্রমান আরো একবার পুরো বিশ্ব দেখতে পেলো। ের প্রাপ্তন রাষ্ট্রপতি আবদুল্লা ইয়ামিন যিনি ছিলেন চীনপন্থী তাকে গত সেপ্টেম্বর মাসে পরাজিত করেন ইব্রাহিম মহম্মদ সলিথ। জয়লাভের পর ের নুতন প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ গ্রহনের জন্য সেই অনুষ্ঠানে আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কে নিমন্ত্রণ করেছিলেন সেই দেশের নুতন প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মহম্মদ সলিথ। মোদীজিও সেখানে গিয়েছেন। এটাই প্রথমবার সফর প্রধানমন্ত্রী মোদীজির। এর আগে ততকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ২০১১ সালে একবার সফরে গিয়েছিলেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। কিন্তু এবার মোদীজি সেখানে গিয়ে একাধিকবার টুইট করে জানিয়েছেন যে, সরকার স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ, পরিকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যাবস্থার উন্নয়নে মলদ্বীপের সলিথের নতুন সরকারের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে চায়।

মলদ্বীপের ডেমোক্রেটিক পার্টির সলিথ গত ২৩ সেপ্টেম্বর নির্বাচনে ইয়ামিনকে অর্থাৎ মালদ্বীপের তত্কালীন প্রেসিডেন্টকে আশ্চর্যজনকভাবে হারিয়ে দেন। মলদ্বীপের সাথে ের সখ্যতা দৃঢ় হয়েছিল ইয়ামিন আমলে। তার ফলে বেজিং ভারতের পড়শি দ্বীপরাষ্ট্রের উপর বেশ প্রভাব বিস্তার করেছিল তাই এই জয়ের ফলে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক টানাপোড়েনের অবসান ঘটেছে। ভারতের সাথে মালদ্বীপের সম্পর্ক খারাপ করবার জন্য ের নির্দেশ মেনে মালদ্বীপে চলতি বছরের ৫ ই ফেব্রুয়ারি জরুরী অবস্থা জারি করেছিল সেই দেশের প্রাপ্তন রাষ্ট্রপতি ইয়েমিন।

in

কিন্তু মালদ্বীপের সরকারে সলিথ আসার ফলে এবার চীন আর পেরে উঠছে না ভারতের সাথে। সলিথ ইতিমধ্যেই ঘোষণা করে দিয়েছেন যে, তার সরকার মালদ্বীপের সমস্তপ্রকার কাজে সবথেকে আগে গুরুত্ব দেবে ভারত কে। এমনকি তারা এটাও জানিয়েছেন যে, আর্থিকভাবে কিছু সাহায্য দরকার পরলে তারা সবার আগে ভারতের কাছে যাবে। তারপর সৌদি আরব ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যাবে। চীনের ব্যাপারে কিছু করতে হলে তাদের ভেবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলে জানান।

আপনাদের জানিয়ে রাখি, চীন ভেবেছিল যে তারা শ্রীলঙ্কা এবং মালদ্বীপে প্রভাব বিস্তার করার মধ্যে দিয়ে তারা ভারত কে জব্ধ করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু মালদ্বীপে নুতন সরকার আসার ফলে তাদের সেই পরিকল্পনা ব্যাহত হয়। সেই সাথে চীনের জন্য আরও একটি দুঃসংবাদ হল, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কে প্রধান অতিথি করা হয়েছে মালদ্বীপের জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়ামের উদ্বোধনের জন্য। এর ফলে খুব সহজেই স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে যে, মলদ্বীপে শাসক দল বদলের সঙ্গে সঙ্গে সেই দেশের প্রেক্ষাপটও বদলে গিয়েছে। এখন সেখানে চীনের আর কোনো চালাকি চলবে না। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে, এইভাবে চীন কে এতটা জব্ধ করা একমাত্র মোদীজির কূটনীতিক বুদ্ধির জন্যই সম্ভব হয়েছে।
#অগ্নিপুত্র