Press "Enter" to skip to content

২ বছর হিমালয়ে কাটানোর পর মোদীজির দেখা হয়েছিল এমন এক সাধুর সাথে, যার এই পরামর্শ শুনে ফিরে এসেছিলেন নরেন্দ্র মোদী।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তা এমন হারে বৃদ্ধি পেয়েছে যে উনি বর্তমানে বিশ্বের জননেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী পারিবারিক রাজনীতির জেরে এত বড়ো নেতা হননি, বরং উনার দক্ষতা উনাকে সঠিক স্থানে পৌঁছে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী খুব ছোট বয়স থেকে RSS এর সাথে যুক্ত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী মোদীর জীবন এতটাই কৌতুহলপূর্ণ যে বহু মানুষ উনার জীবনের ঘটনা জানার প্রতি নিজেরদের উৎসাহ ব্যাক্ত করেন। বহুবার প্রধানমন্ত্রী মোদীও নিজের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা জনতার সামনে তুলে ধরে ছাত্রসমাজ ও যুবসমাজকে প্রেরণা দেন। বহু সংঘর্ষের মাধ্যমে বর্তমানে বড়ো উচ্চতায় পৌঁছেছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদীর জীবনের অতীতের বহু ঘটনা এখন মানুষের মধ্যে চর্চিত হয়। তবে সম্পর্কিত অতীতের এমন একটা ঘটনা রয়েছে যা খুব কম মানুষ জানেন।

নরেন্দ্র মোদী যখন ১২ বছরের ছিলেন তখন উনার মা এক জ্যোতিষীর কাছে মোদীজির হাত দেখিয়েছিলেন। জ্যোতিষী, মোদীজির হাত দেখে বলেছিলেন হয় তোমার পুত্র রাজা হবে নতুন শঙ্কারাচারযের মতো বড়ো সন্ত হবে। মোদীজি ছোট থেকে সাধুদের প্রতি খুব আকর্ষিত হতেন এবং সাধুদের দেখতে পেল উনি তাদের পেছনে অনুসরণ করতেন। মোদীজির মা এই বিষয় নিয়ে চিন্তিত ছিলেন যে মোদীজি সাধু হয়ে যেতে পারেন, তাই কম বয়সে উনার বিয়ে করিয়ে দিয়েছিলেন।

বিয়ের যশোদাবেন নিজের বাপের বাড়িতেই থাকতেন। এরপর যখন বাড়ি থেকে সংসার জীবন শুরু করার জন্য মোদীজির উপর চাপ দেওয়া হয় তখন উনি বাড়ি থেকে পালিয়ে হিমালয়ে চলে যান। হিমালয়ের গুহায় মোদীজি সাধুদের মতো ২ বছর কাটিয়েছিলেন। সেই সময়কালে এক সাধু মোদীজিকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে উনি এখানে কেন এসেছে। মোদীজি উত্তরে বলেছিলেন, ঈশ্বর খোঁজের জন্য উনি হিমালয়ে এসেছেন।

এরপর সাধু বলেছিলেন তোমার বয়স কম এবং তুমি সমাজের ,দেশের সেবা করে ঈশ্বর প্রাপ্তি করতে পারো। এরপর প্রধানমন্ত্রী মোদী উনার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেছিলেন এবং দেশকে শক্তিশালী করার শপদ নিয়েছিলেন। জানিয়ে দি নরেন্দ্র মোদী রাজনৈতিক জীবন শুরু করার আগে সন্ন্যাসী হিসেবে কলকাতার বেলুড় মঠ গিয়েছিলেন।

10 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.