Press "Enter" to skip to content

জম্মুকাশ্মীরে প্রধানমন্ত্রী মোদীর দুর্দান্ত মাস্টারস্ট্রোক! বিধানসভা ভঙ্গ করে বিরোধিদের বড়ো ঝটকা দিল সরকার।

আরো একবার মোদী সরকার জম্মুকাশ্মীরে পিডিপি এর সরকার গঠনের পরিকল্পনার উপর জল ঢেলে দিল। পাপ্ত খবর অনুযায়ী মোদী সরকার জম্মু কাশ্মীরে কংগ্রেস, পিডিপি ও NC কে চাপে ফেলে দিয়েছে। আসলে জম্মুকাশ্মীরে পিডিপি, NC ও কংগ্রেস মিলে সরকার তৈরি করতে চেয়েছিল। কিন্তু এখন প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী রাজ্যপাল জম্মুকাশ্মীরের বিধনাসভা ভঙ্গ করে দিয়েছেন। যার ফলে এখন আর জম্মুকাশ্মীরে সরকার গঠন করা সম্ভব নয়। পিডিপি, কংগ্রেস ও NC মিলে জম্মুকাশ্মীরে নতুন সরকার গঠনের দাবি পেশ করেছিল।

সরকার গঠনের পর পিডিপি সরকারের নেতৃত্ব দেবে বলে জানিয়েছিল মেহেবুবা মুফতি। তবে নাশনল কনফারেন্স সরাসরি জোটে থাকবে নাকি শুধু বাইরে থেকে সমর্থন দেবে সেই বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। কিছু অনিশ্চয়তার সাথেই আতঙ্কবাদীদের বাঁচানোর জন্য এবং নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য তিন পার্টি এক হয়ে সরকার গঠনের সিধান্ত নিয়েছিল।

কিন্তু এখন বিধানসভা ভঙ্গের পর সরকার গঠনের সমস্থ সম্ভাবনা শেষ হয়ে গিয়েছে। আসলে জম্মুকাশ্মীরে এখন রাজ্যপাল শাসন চলছে এই কারণে লাগাতর আতঙ্কবাদীর মৃত্যু ঘটছে এবং ৩৭০ ধারা মুছে ফেলার যোজনা তৈরি করা হচ্ছে। কিন্তু এই সমস্থ কিছু NC(ন্যাশনাল কনফারেন্স) বা পিডিপির মেহেবুবা মুফতির গলা দিয়ে নামছে না। মেহেবুবা মুফতি আগেই খোলাখুলি আতঙ্কবাদীদের সমর্থন করেছন এবং ৩৭০ ধারার মুছে ফেলার বিরোধিতা করেছেন।

উমর আব্দুল্লাহও একই কথা বলেছেন। তাই কংগ্রেস, NC ও পিডিপি মিলে সরকার গঠনের সিধান্ত নিয়েছিল। জম্মু কাশ্মীরে কংগ্রেস, NC ও পিডিপির ৬০ বিধায়ক একজোট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মোদী সরকার বিধানসভা ভঙ্গ করে সরকার গঠনের সম্ভাবনা শেষ করে দিয়েছে। মোদী সরকার ও রাজ্যপালের সিদ্ধান্তে এটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে এবার জম্মু কাশ্মীর ইস্যুকে খুবই গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।