Press "Enter" to skip to content

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মা কে নিয়ে চরম কুরুচিকর মন্তব্য মমতার পুলিশের!

রাজ্য পুলিশকে নিয়ে এর আগেও বহুবার রাজ্য পুলিশকে নিয়ে অভিযোগ করেছে বিরোধীরা। কিন্তু পুলিশ মন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী পুলিশের বিরুদ্ধে কোন কথা শুনতে নারাজ। ওনার মতে রাজ্য পুলিশ সৎ, নিরপেক্ষ এবং নির্ভীক। কিন্তু বারবারই রাজ্য পুলিশকে শাসক দলের ক্যাডার হয়ে কাজ করতে দেখা গেছে।

এবারও সেই একই চিত্র উঠে আসলো রাজ্য থেকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় নির্বাচনের প্রচার চলছে জোর কদমে, দলের কর্মী সমর্থকেরা নিজের নিজের পছন্দের মানুষের হয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করে যাচ্ছে। আর সেই প্রচারকে টেক্কা দেওয়ার জন্য তৃণমূল বহু আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘সিভিক ভলেন্টিয়ার” দের কাজে লাগিয়েছে।

সেই সিভিক তৃণমূল দল থেকে হোক আর অন্য কোথা থেকে। তাঁদের কাজ বিরোধীদের রাজনৈতিক পোস্টের বিরোধিতা করা, আর কখনো কখনো মাত্রা ছাড়িয়ে তাঁদের অশালীন ভাষায় আক্রমণ করা। যেহেতু তৃণমূল শাসক দল, আর রাজ্য পুলিশ ও তৃণমূলের হাতেই। তাই তাঁদের ‘সোশ্যাল সিভিক ভলেন্টিয়ার” দের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপই নেওয়া হচ্ছে না।

দিন কয়েক আগে বিজেপির এক সমর্থক সোশ্যাল মিডিয়ায় নরেন্দ্র মোদীর সমর্থনে পোস্ট করেন। আর সেটাই দৃষ্টি কটু লাগে এক ‘সোশ্যাল সিভিক ভলেন্টিয়ার” মহম্মদ খালিলুর রহমান-এর যদিও তিনি আবার রাজ্য পুলিশের কর্মী। তাই উনি ভেবেছিলেন ওনার কে কি করে নেবে?

কিন্তু উনি হয়ত জানেন না। সোশ্যাল মিডিয়ায় পাওয়ার কতখানি। নরেন্দ্র মোদীর মাকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে জান উনি। চারিদিক থেকে ওঠে ওনার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার আওয়াজ।

অবশেষে ওনার বিরুদ্ধে শনিবার শিলিগুড়ির খালপাড়া ফাঁড়িতে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়ে ওনার কঠোর শাস্তির আবেদন করেন বিজেপির নেতারা। বিজেপির তরফ থেকে অভিযোগ জমা পড়ার পরে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পলুশ তদন্ত কমিটি গঠন করে। শিলিগুড়ির এক পদস্থ পুলিশ আধিকারিক জানান, ‘তদন্ত শুরু হয়েছে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।”

একদিন আগেই তৃণমূলের লোকসভা ভোট প্রার্থী নুসরত জাহান এর বিরুদ্ধে পোস্ট করে শ্রীঘরে ঢুকতে হয়েছে বিজেপির দুই কর্মীকে। তাঁদের বিরুদ্ধে কোনরকম তদন্ত ছাড়াই তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু দেশের প্রধানমন্ত্রী বিরুদ্ধে অশালীন, চরম কুরুচিকর মন্তব্যের পরেও পুলিশ অফিসার খালিলুর রহমানের বিরুদ্ধে এখনো কোন কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

এই ঘটনা থেকে অন্তত এটুকু বোঝা যাচ্ছে যে, এরাজ্যের সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূল বিরোধী কথা বললে আপনি অপরাধী। কিন্তু বিজেপির সমন্ধ্যে যাই বলুন না কেন, আপনাকে অপরাধী মানা হবেনা। যদিও এই ঘটনার পর পুলিশ অফিসার খালিলুর রহমান এর সাথে যোগাযোগ করা হলে উনি বলেন, ‘ এমা! এটা কি করে হল? আমি তো কিছুই করিনি। আমি এসব সমন্ধ্যে জানিনা।” এর মানে এটা স্পষ্ট যে উনি ওনার বিরুদ্ধে লাগা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করছেন, আর এরপর হয়ত উনি এও বলবেন যে, ‘আমার আইডি হ্যাক করে কেও এটা করেছে। এটা বিজেপির চক্রান্তও হতে পারে!”

 

7 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.