NASA করলো স্বীকার- সূর্যগ্রহণের সময়সীমা জানার জন্য ভারতীয় পঞ্জিকা সবথেকে সঠিক।

সর্বপ্রথম গর্বের সাথে বলুন -“আমি হিন্দু” এবং প্রনাম জানান আপনার পূর্বজ ও ঋষিমনিদের। হিন্দু্ একমাত্র ধৰ্ম যা মানবনির্মিত ধৰ্ম নয়। এখন যত দিন দিন বিজ্ঞান উন্নত হচ্ছে , সত্য জানতে পারছে ততই হাজার হাজার বছর আগে লেখা হিন্দু ধর্মের গন্থের কথা সঠিক প্রমাণিত হচ্ছে। কিছু মাস আগেই বিজ্ঞান স্বীকার করেছে যে ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে যে সেতু রয়েছে সেটা প্রাকৃতিক নয় বরং মানবনির্মিত। যদিও এই রামসেতু নির্মাণের ঘটনা হিন্দু বাড়ির প্রত্যেক মানুষ বহু আগে থাকতেই জানে। যদিও ভারতের তথাকথিত ধৰ্মনিরপেক্ষবাদীর রামসেতু এবং ভগবান রামকে কাল্পনিক বলে দাবি করতো। সেকুলার ও বামপন্থীরা রামসেতুকে প্রবাল প্রাচীর বলেও দাবি করতো। কিন্তু বিজ্ঞান প্রমান করে দিয়েছে যে ওটা কোনো প্রবাল প্রাচীর নয়, ওটা রামসেতু।

যাইহোক NASA অর্থাৎ আমেরিকার স্পেস এজেন্সি যেটা বিশ্বের টপ বিকশিত সংস্থা, এখন হিন্দুধর্মের সাথে জুড়ে থাকা হিন্দু গ্রন্থের আরো একটা কথা স্বীকার করে নিয়েছে। সূর্যগ্রহণ, চন্দ্রগ্রহণ ইত্যাদির ব্যাপারে নিশ্চয় শুনেছেন। এই সকল গ্রহণ কখন শুরু হবে, কখন শেষ হবে এই ব্যাপারে হিন্দু সমাজ কখনোই বিজ্ঞানীদের জিজ্ঞাসা করতে যায় না, বরং বাড়ির পঞ্জিকা খুলেই সমস্থকিছু বলে দেয়। অন্য দেশ গ্রহণের সময় জানার জন্য বৈজ্ঞানিক ও বিজ্ঞানের উপকরণের উপর নির্ভর করে সেখানে ভারতের মানুষ কোনোভাবেই সেই সবের উপর নির্ভরশীল নয়।

বর্তমান ভারতীয়দের পুর্বপুরুষ কতটা মহান ছিল সেটা এবার NASA বুঝতে পেরেছে। NASA অনেক বছর ধরে ভারতের পঞ্জিকার উপর সন্দেহ প্রকাশ করতো। NASA মানুষকে এই বলে জ্ঞান দিত যে ভারতীয় পঞ্জিকা সঠিক নাও হতে পারে এর উপর রিসার্চ করার প্রয়োজন রয়েছে। যদিও ভারতীয় পঞ্জিকা একবারের জন্যও গ্রহণের উপর ভুল সময়সীমা দেয়নি বরং NASA নিজে ভুল সময় দিয়ে লজ্জিত হয়েছিল।

তবে এখন বহুবার রিসার্চের পর NASA স্বীকার করেছে যে ভারতীয় পঞ্জিকা গ্রহণের ব্যাপারে সঠিক তথ্য প্রদান করে। ৩-৩ বার নিজেদের মন্তব্য বদলানোর পর কোটি কোটি টাকা রিসার্চে খরচ করার পর NASA স্বীকার করেছে যে গ্রহণের সময়সীমা ও তথ্য জানার জন্য ভারতীয় পঞ্জিকা সবথেকে সঠিক। এটা ভারতীয়দের জন্য খুবই গর্বের বিষয় যে NASA ভারতীয় পঞ্জিকার সামনে নতমস্তক হয়েছে।

Open

Close