Press "Enter" to skip to content

নিরীহ বাচ্চাদের মিড ডে মিলে গো-মাংস মিশিয়ে খাওয়াছিলো প্রিন্সিপাল নাসিরউদ্দিন আহমেদ।

সেকুলার ও বুদ্ধিজীবীদের ছায়াতলে ভারতে কট্টরপন্থীদের সাহস দিনদিন কত বেড়ে চলেছে তার প্রমান আরো একবার সামনে চলে এসেছে। আসামের দারাঙা জেলার এক প্রাইমারি স্কুলের প্রিন্সিপাল নাসিরউদ্দিন আহমেদকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এই শয়তান হিন্দু বাচ্চাদের মিড ডে মিলে গো-মাংস মিলিয়ে খাওয়াছিলো। ঘটনাটি দারাঙা জেলায় দক্ষিণ দুলিয়াপার প্রাথমিক স্কুলে হয়েছিল। সেই স্কুলে নাসিরউদ্দিন আহমেদ প্রধান শিক্ষক, এটা একটা সরকারি স্কুল এবং নাসিরউদ্দিন একজন সরকারি কর্মচারী। জানিয়ে দি, মিড ডে মিল একটা সরকারি যোজনা, প্রায় সমস্ত সরকারি স্কুলেই এই যোজনা চালু রয়েছে।

আরো পড়ুন – জারি হলো বিশ্বের সবথেকে বেশি মুসলিম জনসংখ্যাবিশিষ্ট দেশের তালিকা! ভারতের স্থান চমকে দেওয়ার মতো।

নাসিরউদ্দিন আহমেদ নিজের প্রধান শিক্ষক হওয়ার সুযোগ উঠিয়ে মিড ডে মিলে গো- মাংস মিলিয়েছিলো যাতে হিন্দু বাচ্চাদের খাওয়ানো যায়। নাসিরউদ্দিন নামক এই কট্টরপন্থী ভালোভাবেই জানতো যে হিন্দু ধর্মে গাই এর গুরুত্ব কতটা বা হিন্দু ধর্মের সাথে গো মাতা কিভাবে জুড়ে রয়েছে। এই সকল জেনেই কট্টরপন্থী নাসিরউদ্দিন এই কাজ করেছিল। তথাকথিত সেকুলারদের জন্য এই কট্টরপন্থীদের সাহস কতটা বেড়ে গেছে তার জ্বলন্ত উদাহরন সামনে এসেছে।

DEEO এর আধারের উপর কট্টরপন্থীকে গেপ্তার করা হয়েছে। বিভিন্ন ধর্মের মধ্যে হিংসা ও সাম্প্রদায়িক ছড়ানোর জন্য কট্টরপন্থীকে গেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে প্রমান হয়েছে প্রধান শিক্ষকের নেতৃত্বে স্কুলের মিড ডে মিলে গো- মাংস মিশিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেই ভিত্তিতেই পুলিশ নাসিরউদ্দিন আহমেদকে গেপ্তার করেছে। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন সাম্প্রদায়িক মহলকে নষ্ট করার জন্য এই কট্টরপন্থীকে গেপ্তার করা হয়েছে।

জানিয়ে দি, দেশের মিডিয়া এই নিয়ে নিশ্চুপ হয়ে বসে আছে কারণ মিডিয়া শুধুমাত্র ধৰ্ম দেখে ডিবেট শো ও প্রাইম টাইম করে। যদি কোনো আবদুল গরু চুরি করে গণপিটুনি খায় তাহলে মিডিয়া দিনরাত সেটা নিয়ে হিন্দু সংগঠনগুলোকে দোষারোপ করতে থাকে। কিন্তু এই বিষয় নিয়ে একটাও টু শব্দ করতে চাইছে না দালাল মিডিয়া।