Press "Enter" to skip to content

কাশ্মীরে 370 ধারা ও 35A এর সমর্থনকারীরা পেলো বড়ো ঝটকা! হতাশ আব্দুল্লাহ ও মেহেবুবা মুফতি।

“যেমন কর্ম তেমন ফল”- এই কথা কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের উপর সঠিক ভাবে খাপ খায়। আতঙ্কবাদ কখনো কারোর ভালো করতে পারে না আর কখনো কারোর সঙ্গী হতে পারে না। আতঙ্কবাদ নির্দোষ লোকেদের প্রাণ হত্যা করে একই সাথে যারা আতঙ্কবাদকে পালন করে, দুধ পান করিয়ে বড়ো করে তাদেরকেও আতঙ্কবাদ কখনো ছাড় দেয় না। পাথরবাজদের সমর্থন করা, পাকিস্থানের সাথে এক হয়ে ভারত বিরোধিতা করতে গিয়ে এবার ফারুক আব্দুল্লাহ ও ন্যাশনাল কনফারেন্সকে বড়ো ঝটকা খেতে হয়েছে। যে ধারা ৩৭০ ও 35A এর কারণে কাশ্মীরে আতঙ্কবাদ ছড়িয়ে রয়েছে তার সমর্থন করতে গিয়ে উমর আব্দুল্লাহ লোকতান্ত্রিক নির্বাচনকে বয়কট করেছিল। সেই উমর আব্দুল্লাহ এর পার্টির দুই বোড়ো নেতাকে আতঙ্কবাদীরা নির্মমভাবে হত্যা করে দিয়েছে।

প্রাপ্ত মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী শুক্রবার দিন জম্মুকাশ্মীরের শ্রীনগরে আক্রমণ করে দিয়েছিল। সেখানে আতঙ্কবাদীরা ন্যাশনাল কনফারেন্স এর ২ জন বড়ো নেতাকে হত্যা করে দিয়েছে। যার মধ্যে নেতা মুসতিক আহমেদ একজন। আতঙ্কবাদীদের ফায়ারিং এ ২ জন নেতার মৃত্যুর সাথে দুজন ব্যাক্তি আহত হন যাদেরকে হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। দিন দুপুরে এমন ঘটনা ঘটায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছিল। যারপর জম্মুকাশমী পুলিশ পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছিল।

৮ অক্টোবর থেকে যে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল তার আগেই আতঙ্কবাদীর এসে ন্যাশনাল কনফারেন্সের দুই নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করে দেয়। ন্যাশনাল কনফারেন্স 35 A এর সমর্থন করছিল। আতঙ্কবাদীর হুমকি দিয়েছে যারা নির্বাচনে অংশ নেবে তাদেরকে মেরে ফেলা হবে। নির্বাচনকে ইসলামের জিহাদের বিরোধী ও কাশ্মীরের আজাদীর বিরোধী বলে দাবি করেছে যারা নির্বাচনে অংশ নেবে তারা মুসলিম সমাজের বিশ্বাসঘাতক হবে এবং তাকে মেরে ফেলা হবে।

হিজবুল কামান্ডোর রিয়াজ না শুধু হত্যার হুমকি দিয়েছে একইসাথে নির্বাচনে অংশ নেওয়া ব্যাক্তিদের চোখে গরম তেল ঢেলে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। এই কারণে আতঙ্কবাদীরা নিজেদের সমর্থনকারী পার্টিদেরকেও নিশানা করতে শুরু করে দিয়েছে। এখন দেখার আব্দুল্লাহ ও একসাথে আতঙ্কবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়,নাকি এখনো ধর্মের নামে আতঙ্কবাদের সমর্থন করে। কারণ যারা ভেবেছিল যে আতঙ্কবাদকে সঙ্গী করে ধর্মের নামে রাজনীতি চালিয়ে যাবো এখন তাদের বিরুদ্ধে হয়ে পড়েছে আতঙ্কবাদীর। এখন মেহেবুবা, আব্দুল্লাহ কাছে দুটো রাস্তা রয়েছে হয় রাজনীতি চালিয়ে গিয়ে আতঙ্কবাদীদের বিরোধিতা করা নতুন ধর্মের নামে ভারতকে ইসলামিক দেশ করার স্বপ্ন দেখা এবং আজাদ কাশ্মীরের দাবি করা।